পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) সংসদীয়-১১৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণায় ‘হোল্ড’ রাখায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। এদিকে, আসনটি নুরুল হক নুরের জন্য খালি রাখা হয়েছে বলে গণ-অধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাসান মামুন দীর্ঘদিন ধরে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠ প্রস্তুত রেখেছেন। দলের নাম ঘোষণার পর আসনটি হোল্ড রাখার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসান মামুন নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “প্রিয় গলাচিপা-দশমিনা বাসী, ধৈর্য ধরুন। পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী নির্বাচন করবে, ইনশাল্লাহ।”
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২৩৭টি আসনের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। তবে পটুয়াখালী-৩ ও পটুয়াখালী-২ আসনের প্রার্থিতা হোল্ড রাখা হয়।
এ পরিস্থিতিতে বিকল্প প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জোট প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনার গুঞ্জন বাড়ছে।
দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ-আলম শানু বলেন, “আমরা আসনের যে বিএনপি নেতারা আছি সবাই ঐক্যবদ্ধ। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরেই নির্যাতন ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এবারের নির্বাচনে আমরা হাসান মামুনের নেতৃত্বে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিতে চাই।”
অপরদিকে, নুরুল হক নুর জানান, “বিভিন্ন দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে। স্থগিত আসনগুলোতে সমঝোতা না হলে জোটবদ্ধ হয়ে অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না। এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

ডেস্ক রিপোর্ট 























