ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাড়ল বাসভাড়া জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা উঠে গেছে: নিউ ইয়র্কে পৌঁছে আরাগচির পোস্ট জনস্বার্থের সব কাজের বিরোধিতা করেছে জামায়াত: রিজভী ধর্মীয় উসকানিমূলক কনটেন্টে সর্বোচ্চ নজরদারির নির্দেশ এসপি মাসুদের শিগগিরই ভেঙে চার ভাগ হবে উত্তরপ্রদেশ: ভারতীয় মন্ত্রী ২ বছরের মধ্যে সরকারের উদ্যোগে জ্বালানির সংকট থাকবে না: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট, দল থেকে বহিষ্কার জেলা ছাত্রদল নেতা লংমার্চ করা বিরোধী দল কিছু গাড়ির টোল পরিশোধ করেনি: রিজভী পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা: রাশেদ খাঁন জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসির আচরণবিধিতে দ্বৈত নীতি ও অস্পষ্টতা: পোস্টার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আয়োজিত সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির বেশ কিছু অসঙ্গতি ও অস্পষ্টতা তুলে ধরেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সদস্য শিশির মনির। বিশেষভাবে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—“কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না”, অথচ একই ধারার ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী অপসারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
তার প্রশ্ন—“একদিকে পোস্টার নিষিদ্ধ করছেন, আবার অন্যদিকে পোস্টার সরানো নিয়েও বিধান দিচ্ছেন—এ দ্বন্দ্ব কেন? এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়।”

শাস্তি আরোপের বিধানেও অস্পষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, “আচরণবিধিতে কে শাস্তি আরোপ করবে তা স্পষ্ট নয়। কোনো প্রার্থীর অপরাধে তার রাজনৈতিক দলও দায়ী হলে দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান থাকা উচিত।”

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগ জমা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নাহলে প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলবে।”

এছাড়া আচরণবিধি পাঠ প্রার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। বর্তমানে রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করা ঐচ্ছিক।
এ প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, “ইশতেহার ও আচরণবিধি পাঠ বাধ্যতামূলক হলে নতুন প্রজন্মের কাছে একটি গঠনমূলক ও শিক্ষণীয় নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাড়ল বাসভাড়া

ইসির আচরণবিধিতে দ্বৈত নীতি ও অস্পষ্টতা: পোস্টার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির

আপডেট সময় ০২:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আয়োজিত সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির বেশ কিছু অসঙ্গতি ও অস্পষ্টতা তুলে ধরেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সদস্য শিশির মনির। বিশেষভাবে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—“কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না”, অথচ একই ধারার ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী অপসারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
তার প্রশ্ন—“একদিকে পোস্টার নিষিদ্ধ করছেন, আবার অন্যদিকে পোস্টার সরানো নিয়েও বিধান দিচ্ছেন—এ দ্বন্দ্ব কেন? এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়।”

শাস্তি আরোপের বিধানেও অস্পষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, “আচরণবিধিতে কে শাস্তি আরোপ করবে তা স্পষ্ট নয়। কোনো প্রার্থীর অপরাধে তার রাজনৈতিক দলও দায়ী হলে দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান থাকা উচিত।”

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগ জমা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নাহলে প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলবে।”

এছাড়া আচরণবিধি পাঠ প্রার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। বর্তমানে রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করা ঐচ্ছিক।
এ প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, “ইশতেহার ও আচরণবিধি পাঠ বাধ্যতামূলক হলে নতুন প্রজন্মের কাছে একটি গঠনমূলক ও শিক্ষণীয় নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।”