ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র ‘ইতিহাসের বড় শিক্ষা হলো মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না’ উত্তেজনা নিরসনে নিজেই গ্রাফিতি আঁকলেন মেয়র শাহাদাত ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন মার্কিন পতাকায় আবৃত উপসাগরীয় অঞ্চল, বিতর্কিত ছবিতে কীসের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প দেশজুড়ে আলোচিত মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গুলির ঘটনায় সেই শিক্ষকের কারাদণ্ড সৌদিতে যুদ্ধবিমান-আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা-সেনা মোতায়েন করল পাকিস্তান সুন্দরবনে বনজীবী নিহত: বন বিভাগের কার্যালয় ঘেরাও, আহত ৫ মহারাষ্ট্রে ট্রাক-টেম্পো-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১৩ বরযাত্রীর

বিএনপির সঙ্গে যেতে চান ছাত্র উপদেষ্টারা, দোটানায় এনসিপি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ছাত্র উপদেষ্টারা চান এনসিপি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে জোট করুক। তবে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বসহ অধিকাংশ নেতা এর জন্য অন্তত ২০টি আসন, নির্বাচনের মাঠে সাংগঠনিক সহায়তা এবং দলের বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকার নিশ্চয়তা চান। এই নিশ্চয়তা না পেলে তারা বিএনপির সঙ্গে জোট করতে রাজি নন। বিকল্প হিসেবে তারা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপিবিরোধী বৃহত্তর নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে চান। ফলে দোটানায় পড়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের গঠিত এনসিপি।

গত ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিপাড়ায় একজন ছাত্র উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনে এনসিপির ৩০ জনের বেশি নেতার বৈঠক হয়। পরের দিন দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভা হয়। বৈঠকগুলোতে অংশ নেওয়া এনসিপির ছয়জন নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পেয়েছে গণমাধ্যম। এই নেতারা জানিয়েছেন, দুই উপদেষ্টা ছাড়াও এনসিপির শীর্ষ ১০ নেতার অন্তত দুজন বিএনপির সঙ্গে জোট চান। তাদের একজন ঢাকায়, আরেকজন উত্তরবঙ্গে বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে চান। দুই ছাত্র উপদেষ্টার একজন জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহী নন। অন্য উপদেষ্টার অভিমত, আগামী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকারের সময়ে নিরাপত্তার কারণে বিএনপির সঙ্গে থাকা উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রনেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও চান বিএনপির সঙ্গে জোট করুক এনসিপি। তবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এনসিপির চাহিদা পূরণ ছাড়া বিএনপির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন। উপদেষ্টার বাসায় বৈঠকের সত্যতা স্বীকার না করলেও গত সাধারণ সভার কথা নিশ্চিত করেছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। জোটের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা হয়েছে, জুলাই সনদে এবং সংস্কার বাস্তবায়নে যে দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির অবস্থান কাছাকাছি, তাদের সঙ্গে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা হতে পারে।

সংস্কার ও গণভোট নিয়ে কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এনসিপি কি জামায়াতের সঙ্গে যেতে চায়– এ প্রশ্নের জবাবে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, বিএনপি নির্বাচন এবং গণভোট এক দিনে চেয়েছিল, তা-ই হচ্ছে। এতে এনসিপির আপত্তি নেই। সংস্কারের জন্য এনসিপিসহ ৯ দল সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছিল। নিজস্ব একটি জোট তৈরির প্রাথমিক আলোচনাও আছে। আবার দলের অধিকাংশ নেতা মত দিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে নির্বাচন করুক। তাই কারও সঙ্গে জোট হবেই– এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট

বিএনপির সঙ্গে যেতে চান ছাত্র উপদেষ্টারা, দোটানায় এনসিপি

আপডেট সময় ১২:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

এবার ছাত্র উপদেষ্টারা চান এনসিপি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে জোট করুক। তবে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বসহ অধিকাংশ নেতা এর জন্য অন্তত ২০টি আসন, নির্বাচনের মাঠে সাংগঠনিক সহায়তা এবং দলের বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকার নিশ্চয়তা চান। এই নিশ্চয়তা না পেলে তারা বিএনপির সঙ্গে জোট করতে রাজি নন। বিকল্প হিসেবে তারা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপিবিরোধী বৃহত্তর নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে চান। ফলে দোটানায় পড়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের গঠিত এনসিপি।

গত ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিপাড়ায় একজন ছাত্র উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনে এনসিপির ৩০ জনের বেশি নেতার বৈঠক হয়। পরের দিন দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভা হয়। বৈঠকগুলোতে অংশ নেওয়া এনসিপির ছয়জন নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পেয়েছে গণমাধ্যম। এই নেতারা জানিয়েছেন, দুই উপদেষ্টা ছাড়াও এনসিপির শীর্ষ ১০ নেতার অন্তত দুজন বিএনপির সঙ্গে জোট চান। তাদের একজন ঢাকায়, আরেকজন উত্তরবঙ্গে বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে চান। দুই ছাত্র উপদেষ্টার একজন জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহী নন। অন্য উপদেষ্টার অভিমত, আগামী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকারের সময়ে নিরাপত্তার কারণে বিএনপির সঙ্গে থাকা উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রনেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও চান বিএনপির সঙ্গে জোট করুক এনসিপি। তবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এনসিপির চাহিদা পূরণ ছাড়া বিএনপির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন। উপদেষ্টার বাসায় বৈঠকের সত্যতা স্বীকার না করলেও গত সাধারণ সভার কথা নিশ্চিত করেছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। জোটের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা হয়েছে, জুলাই সনদে এবং সংস্কার বাস্তবায়নে যে দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির অবস্থান কাছাকাছি, তাদের সঙ্গে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা হতে পারে।

সংস্কার ও গণভোট নিয়ে কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এনসিপি কি জামায়াতের সঙ্গে যেতে চায়– এ প্রশ্নের জবাবে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, বিএনপি নির্বাচন এবং গণভোট এক দিনে চেয়েছিল, তা-ই হচ্ছে। এতে এনসিপির আপত্তি নেই। সংস্কারের জন্য এনসিপিসহ ৯ দল সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছিল। নিজস্ব একটি জোট তৈরির প্রাথমিক আলোচনাও আছে। আবার দলের অধিকাংশ নেতা মত দিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে নির্বাচন করুক। তাই কারও সঙ্গে জোট হবেই– এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না।