ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্তঃসত্ত্বা এনসিপি নেত্রীকে সহকর্মীর লাথি, অতঃপর…

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক অন্তঃসত্ত্বা নেত্রী বিপাশা আক্তার তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে, গত ২৯ নভেম্বর তিনি জেলা শহরের পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার দলীয় কার্যালয়ে নেতৃত্বের অপর সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার হন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপাশার পেটে লাথি মারে ইয়াকুব আলী এবং তার কাছ থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করেছে এবং পুলিশকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এনসিপির নেতা ইয়াকুব আলী দাবি করেছেন, তাকে দলীয় কার্যালয়ে ভাড়া করা বাহ্যিক সন্ত্রাসী মারধর করেছে এবং মামলাটি মিথ্যা। অপর নেতা মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং দলীয় প্রতিযোগিতার কারণে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিপাশা অভিযোগ করেছেন, দলের কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা তাকে অপমান ও মারধরের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা চালিয়েছিলেন। ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তঃসত্ত্বা এনসিপি নেত্রীকে সহকর্মীর লাথি, অতঃপর…

আপডেট সময় ১০:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক অন্তঃসত্ত্বা নেত্রী বিপাশা আক্তার তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে, গত ২৯ নভেম্বর তিনি জেলা শহরের পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার দলীয় কার্যালয়ে নেতৃত্বের অপর সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার হন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপাশার পেটে লাথি মারে ইয়াকুব আলী এবং তার কাছ থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করেছে এবং পুলিশকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এনসিপির নেতা ইয়াকুব আলী দাবি করেছেন, তাকে দলীয় কার্যালয়ে ভাড়া করা বাহ্যিক সন্ত্রাসী মারধর করেছে এবং মামলাটি মিথ্যা। অপর নেতা মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং দলীয় প্রতিযোগিতার কারণে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিপাশা অভিযোগ করেছেন, দলের কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা তাকে অপমান ও মারধরের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা চালিয়েছিলেন। ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।