ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুলনায় পূর্ববিরোধের জেরে ছুরিকাঘাত, যুবক নিহত মেহেরপুরে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ সিনেমা, বাথরুমে বন্দি ছাত্রীকে অবশেষে উদ্ধার অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্র পড়লে জনগণের অনেক ভোগান্তি হয়: স্পিকার ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন বাউফলের পাঁচ নবজাতকের অসহায় পরিবারে ড. মাসুদ এমপির মানবতার স্পর্শ সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক ম্যাচ হারের পর ভিনিসিউসকে বায়ার্নের মাঠে রেখেই চলে গেল রিয়ালের বাস মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন আতঙ্ক, চীনের তৈরি ইরানের অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক সন্ধ্যায় সাবেক অধিনায়কদের ক্যাপ্টেনস কার্ড দেবে বিসিবি

তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তার এমপি-মন্ত্রীরা কবে ঋণ শোধ করবেন: প্রশ্ন নাহিদ ইসলামের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোনও না কোনওভাবে ঋণ রয়েছে, যার পরিমাণ হচ্ছে ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এটা হচ্ছে টিআইবির একটা রিপোর্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন, কিন্তু তার নিজের মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবেন, বাংলাদেশের মানুষ জানতে চায়।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিৎ। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম নির্বাচন হাজারো শহীদের রক্ত পেরিয়ে আমরা এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নির্বাচন অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত পাবে এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাব।

নানা কারণে সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,আমরা আশাহত হয়েছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচপি হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে সামনের দিকে এগোতে দিয়েছি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সাথে, যারা গণভোটেহ্যাঁএর পক্ষে গণরায় দিয়েছে তাদের সবার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল শপথ গ্রহণ না করে।

এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেণ, জুলাইয়ে যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ব্যবসায়ী। এখানে রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ থাকা উচিত। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঋণ খেলাপী। মন্ত্রিসভা গঠনে নতুনত্ব পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অনেক বড় বাজেটের মন্ত্রণালয়ে এমন একজনকে দেওয়া হলো যিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং হত্যা মামলার আসামি। ব্যবসায়ী স্বার্থে একটা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দলেও তিনি অত গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। শুধুমাত্র আর্থিক, ব্যবসায়ীক এবং দুর্নীতির কারণেই তাকে সে মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে। এরকম আরও ঋণ খেলাপি রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় পূর্ববিরোধের জেরে ছুরিকাঘাত, যুবক নিহত

তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তার এমপি-মন্ত্রীরা কবে ঋণ শোধ করবেন: প্রশ্ন নাহিদ ইসলামের

আপডেট সময় ০৩:১৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোনও না কোনওভাবে ঋণ রয়েছে, যার পরিমাণ হচ্ছে ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এটা হচ্ছে টিআইবির একটা রিপোর্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন, কিন্তু তার নিজের মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবেন, বাংলাদেশের মানুষ জানতে চায়।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিৎ। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম নির্বাচন হাজারো শহীদের রক্ত পেরিয়ে আমরা এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নির্বাচন অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত পাবে এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাব।

নানা কারণে সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,আমরা আশাহত হয়েছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচপি হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে সামনের দিকে এগোতে দিয়েছি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সাথে, যারা গণভোটেহ্যাঁএর পক্ষে গণরায় দিয়েছে তাদের সবার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল শপথ গ্রহণ না করে।

এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেণ, জুলাইয়ে যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ব্যবসায়ী। এখানে রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ থাকা উচিত। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঋণ খেলাপী। মন্ত্রিসভা গঠনে নতুনত্ব পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অনেক বড় বাজেটের মন্ত্রণালয়ে এমন একজনকে দেওয়া হলো যিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং হত্যা মামলার আসামি। ব্যবসায়ী স্বার্থে একটা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দলেও তিনি অত গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। শুধুমাত্র আর্থিক, ব্যবসায়ীক এবং দুর্নীতির কারণেই তাকে সে মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে। এরকম আরও ঋণ খেলাপি রয়েছে।