ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা ‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক রোহিঙ্গাদের ১৩৭ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সব নীতি বিকিয়ে দিলেন: তাসনিম জারা নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো জোট গড়তে চায় ইরান বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে: ফিফার পোস্ট সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামেই চলছিলো ‘কালো জাদু’ সৌদি বাদশাহর খরচে, ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ১ হাজার মুসল্লি”

দুপুরে ড. ইউনূস-তারেক রহমান বৈঠক, সবার চোখ লন্ডনে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৫০৭ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাজ্য সফররত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৈঠকে বসছেন। লন্ডনের স্থানীয় সময় (১৩ জুন) সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা) পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টারে এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বৈঠকটি মূলত ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বা একান্তে আলোচনার মাধ্যমেই হবে। যদিও কেউ কেউ বলছেন, বৈঠকের একাংশে কিছু নির্দিষ্ট সহযোগী উপস্থিত থাকতে পারেন, তবে মূল আলোচনা হবে সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার এবং শুধুই দুই প্রধানের মধ্যে।

দেশের চলমান রাজনীতির অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যখানে এই বৈঠককে ঘিরে দেশ ও প্রবাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে চরম কৌতূহল ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকদের একাংশ একে তুলনা করছেন রাজনৈতিক ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বা ‘শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচ’ হিসেবে। কেউ বলছেন, এ বৈঠক থেকেই শুরু হতে পারে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়।

এদিকে এই বৈঠক প্রসঙ্গে গত মঙ্গলবার (১০ জুন) গুলশানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, ড. ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকটি দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হতে পারে। এ বৈঠকে নতুন ‘ডাইমেনশন’ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লন্ডনে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই বৈঠকের কোনো ফরমেট নেই। যেহেতু তারেক রহমান বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতা, তাই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মিটিংটি হবে। দুজনের আলোচনায় বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের দিনক্ষণ, সংস্কার ও জুলাই চার্টারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এ বৈঠককে ‘বড় ইভেন্ট’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইটস অ্যা মেজর পলিটিক্যাল ইভেন্ট। আমার মনে হয়, এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ইমপোরটেন্ট ইভেন্ট। আমি মনে করি, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবেও এ বৈঠকের গুরুত্ব অনেক বেশি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ বা সময় নিয়ে সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি বিপরীতমুখী অবস্থানে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার শুরুতে আগামী বছরের জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের কথা বললেও কদিন আগেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচনের ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা। যদিও বিএনপি শুরু থেকেই এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করে আসছে।

এর আগে লন্ডনে বৈঠকের জন্য ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচন, দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপট এবং কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা

দুপুরে ড. ইউনূস-তারেক রহমান বৈঠক, সবার চোখ লন্ডনে

আপডেট সময় ১১:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

এবার যুক্তরাজ্য সফররত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৈঠকে বসছেন। লন্ডনের স্থানীয় সময় (১৩ জুন) সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা) পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টারে এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বৈঠকটি মূলত ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বা একান্তে আলোচনার মাধ্যমেই হবে। যদিও কেউ কেউ বলছেন, বৈঠকের একাংশে কিছু নির্দিষ্ট সহযোগী উপস্থিত থাকতে পারেন, তবে মূল আলোচনা হবে সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার এবং শুধুই দুই প্রধানের মধ্যে।

দেশের চলমান রাজনীতির অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যখানে এই বৈঠককে ঘিরে দেশ ও প্রবাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে চরম কৌতূহল ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকদের একাংশ একে তুলনা করছেন রাজনৈতিক ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বা ‘শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচ’ হিসেবে। কেউ বলছেন, এ বৈঠক থেকেই শুরু হতে পারে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়।

এদিকে এই বৈঠক প্রসঙ্গে গত মঙ্গলবার (১০ জুন) গুলশানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, ড. ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকটি দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হতে পারে। এ বৈঠকে নতুন ‘ডাইমেনশন’ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লন্ডনে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই বৈঠকের কোনো ফরমেট নেই। যেহেতু তারেক রহমান বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতা, তাই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মিটিংটি হবে। দুজনের আলোচনায় বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের দিনক্ষণ, সংস্কার ও জুলাই চার্টারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এ বৈঠককে ‘বড় ইভেন্ট’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইটস অ্যা মেজর পলিটিক্যাল ইভেন্ট। আমার মনে হয়, এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ইমপোরটেন্ট ইভেন্ট। আমি মনে করি, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবেও এ বৈঠকের গুরুত্ব অনেক বেশি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ বা সময় নিয়ে সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি বিপরীতমুখী অবস্থানে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার শুরুতে আগামী বছরের জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের কথা বললেও কদিন আগেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচনের ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা। যদিও বিএনপি শুরু থেকেই এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করে আসছে।

এর আগে লন্ডনে বৈঠকের জন্য ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচন, দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপট এবং কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।