ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’

এখন তো আওয়ামী লীগ নেই, শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী: প্রশ্ন সর্বমিত্র চাকমার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরেরগুপ্ত রাজনীতিপরিহার করে প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তবে দলটির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার আগে তাদের জীবনের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

সর্বমিত্র চাকমা তার পোস্টে বলেন, ‘ছাত্রশিবিরেরগুপ্ত রাজনীতিকরার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই। তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত। গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।শিবিরের রাজনীতি নিয়ে সমাজে বিদ্যমান দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তবে, এখানে একটা কিন্তু আছে। সমাজেশিবিরের কর্মীনিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজগত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের উপর।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যের সূত্র টেনে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন— “হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব কথাটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে শিবিরকে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতোবিরাট নিন্দার ঝড় বইতো।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খোদ শিবিরের কর্মীরাও যেন এই বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতাকর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম।

মানবাধিকার কর্মীদের দ্বিমুখী আচরণের সমালোচনা করে সর্বমিত্র চাকমা বলেন, ‘বিষপানে একপাল কুকুরছানা মেরে ফেললে বিষাদ আর অগ্নির ঝড় বয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা জলজ্যান্ত মানুষশিবিরের ছানামরলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টু শব্দটি পর্যন্ত করবে না।সবশেষে তিনি দলটির প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শিবির প্রকাশ্যে আসুক, আমি খুব করে চাই। তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক। তাদেরহত্যাযোগ্য প্রাণথেকে মুক্তি দিক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

এখন তো আওয়ামী লীগ নেই, শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী: প্রশ্ন সর্বমিত্র চাকমার

আপডেট সময় ১০:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরেরগুপ্ত রাজনীতিপরিহার করে প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তবে দলটির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার আগে তাদের জীবনের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

সর্বমিত্র চাকমা তার পোস্টে বলেন, ‘ছাত্রশিবিরেরগুপ্ত রাজনীতিকরার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই। তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত। গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।শিবিরের রাজনীতি নিয়ে সমাজে বিদ্যমান দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তবে, এখানে একটা কিন্তু আছে। সমাজেশিবিরের কর্মীনিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজগত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের উপর।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যের সূত্র টেনে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন— “হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব কথাটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে শিবিরকে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতোবিরাট নিন্দার ঝড় বইতো।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খোদ শিবিরের কর্মীরাও যেন এই বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতাকর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম।

মানবাধিকার কর্মীদের দ্বিমুখী আচরণের সমালোচনা করে সর্বমিত্র চাকমা বলেন, ‘বিষপানে একপাল কুকুরছানা মেরে ফেললে বিষাদ আর অগ্নির ঝড় বয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা জলজ্যান্ত মানুষশিবিরের ছানামরলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টু শব্দটি পর্যন্ত করবে না।সবশেষে তিনি দলটির প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শিবির প্রকাশ্যে আসুক, আমি খুব করে চাই। তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক। তাদেরহত্যাযোগ্য প্রাণথেকে মুক্তি দিক।