সৌদি আরবের সঙ্গে বিদ্যমান কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে তুরস্ক ও কাতারকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। এমনটি হলে ‘মুসলিম ন্যাটোর’ ধারণা বাস্তবে রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান সুসংহত করার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসলামাবাদ ও রিয়াদ। পাকিস্তানের হাম নিউজকে দেয়া বক্তব্যে খাজা আসিফ বলেন, ‘যদি কাতার ও তুরস্ক এই চুক্তির অংশ হয়, তাহলে এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর মাধ্যমে অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা অঞ্চল-বহির্ভূত নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সমমনা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি বিস্তৃত সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যাতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সমষ্টিগত নিরাপত্তা জোরদার করা যায়।’
গত কয়েক বছরে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক জোরদার করেছে তুরস্ক। চলতি বছরের শুরুতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা জোট গঠনের সম্ভাবনা তারা খতিয়ে দেখছে।
এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা উপসাগরীয় দেশগুলোর ভবিষ্যৎ নীতি ও কৌশল নির্ধারণে মৌলিক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, এসব দেশ বিশেষ করে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন বিকল্প খুঁজতে পারে।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ

ডেস্ক রিপোর্ট 


















