চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি ইস্যুতে দ্বিতীয় দিনে মূল সড়কে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পুলিশ। এই নিষেধাজ্ঞার পর বিএনপি-এনসিপি তাদের কর্মসূচি স্থগিত করলেও এবার দৃশ্যপটে হাজির হয়েছে একদল সাধারণ শিক্ষার্থী এবং পুলিশ।
আগের দিনের বিএনপি ও এনসিপির মধ্যকার উত্তেজনা সোমবার (১৮ মে) রূপ নেয় সাধারণ শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যকার উত্তেজনায়।
এই দিন দুপুরে ১৫-২০ জনের একটি দল সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে টাইগারপাস মোড়ে গ্রাফিতি আঁকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায় তারা। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মইনুদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, গ্রাফিতি অঙ্কনে পুলিশ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। একজন শিক্ষার্থীকেও যদি গ্রেপ্তার করা হয়, আমরা এর শেষ দেখে নেব।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের ডিসি আমিরুল ইসলাম বলেন, কিছু লোকজন টাইগারপাস মোড়ে রং নিয়ে এসেছে। এখানে ১৪৪ ধারা চলছে। তাদের বুঝিয়ে চলে যেতে বললে তারা বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। পরে সরিয়ে দিতে গেলে অনেকে রাস্তায় শুয়ে যায়। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি। কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
যারা রং করতে এসেছে, তারা কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকে এনসিপি বলছে। তবে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, তাদের কর্মসূচি স্থগিত। এদের পরিচয় জানতে পারিনি।’

ডেস্ক রিপোর্ট 


















