ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ট্রাম্প মহিষ’ এবার প্রভাবশালী গণমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদনে মেয়ের বাবা হিসেবে রামিসার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না লিটন দাস যে সমাজে শিশুরা নিরাপদ না, সেখানে অন্য বয়সের মানুষদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কোথায়?: ছাত্রদলের নাসির জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৬৩০ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার ধর্ষক স্বীকার করার পরও তার শাস্তি দিতে দেরি হবে কেন: কনক চাঁপা দেশে এখন যে অপকর্ম হচ্ছে, সেগুলো জামায়াতে ইসলামী করছে: দুদু রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে চাই: সিইসি পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত ক্যারিয়ারে কোনো ফাইনাল ম্যাচই হারেননি আর্জেন্টাইন ‘বাজপাখি’ এমিলিয়ানো ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়: মির্জা ফখরুল

কন্যাশিশুর বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে: আজহারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি।

 

বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারি লিখেছেন, ‘কিছু অপরাধ শুধু আইন ভঙ্গ করে না, মানবতাকেও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। একটি কন্যাশিশুর নির্মম বিদায় আজ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! যার বিচার শুধু আইনের নয়, গোটা মানবতার দাবি।’

 

ভবিষ্যতের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নির্মমতার দ্রুত বিচার ও কঠোরতম শাস্তি এখন সময়েরও দাবি, জানান তিনি।

 

তার মতে, কেবলমাত্র আল্লাহর আইনই পারে এসব বর্বরতা নির্মূল করতে।

 

এর আগে আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ। এইসব নৃশংসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন।’

 

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসায় খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

 

পুলিশের ধারণা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ট্রাম্প মহিষ’ এবার প্রভাবশালী গণমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদনে

কন্যাশিশুর বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে: আজহারি

আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি।

 

বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারি লিখেছেন, ‘কিছু অপরাধ শুধু আইন ভঙ্গ করে না, মানবতাকেও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। একটি কন্যাশিশুর নির্মম বিদায় আজ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! যার বিচার শুধু আইনের নয়, গোটা মানবতার দাবি।’

 

ভবিষ্যতের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নির্মমতার দ্রুত বিচার ও কঠোরতম শাস্তি এখন সময়েরও দাবি, জানান তিনি।

 

তার মতে, কেবলমাত্র আল্লাহর আইনই পারে এসব বর্বরতা নির্মূল করতে।

 

এর আগে আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ। এইসব নৃশংসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন।’

 

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসায় খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

 

পুলিশের ধারণা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।