ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

মেয়ের বাবা হিসেবে রামিসার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না লিটন দাস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষনের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার দাবি করেছেন জাতীয় ক্রিকেটদলের তারকা ব্যাটার লিটন কুমার দাস। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি তোলেন।

কন্যাসন্তানের বাবা হিসেবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে লিটন দাস লেখেন, ‘একজন কন্যাসন্তানের বাবা হিসেবে এই খবরটি অত্যন্ত কষ্টের এবং হৃদয়বিদারক। কোনো সমাজেই এটি মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী প্রয়োজন, যেখানে তারা ভয়হীনভাবে বড় হতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো অন্যায়েরই সঠিক বিচার হওয়া উচিত এবং রামিসার ক্ষেত্রে বিচার কোনো বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে রামিসার জন্য বিচার দাবি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের অপরাধের জন্য কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত। আমরা আর কখনো এমন কোনো ট্র্যাজেডি দেখতে চাই না।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসা আক্তারের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়। রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে।

ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেয়ের বাবা হিসেবে রামিসার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না লিটন দাস

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

এবার রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষনের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার দাবি করেছেন জাতীয় ক্রিকেটদলের তারকা ব্যাটার লিটন কুমার দাস। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি তোলেন।

কন্যাসন্তানের বাবা হিসেবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে লিটন দাস লেখেন, ‘একজন কন্যাসন্তানের বাবা হিসেবে এই খবরটি অত্যন্ত কষ্টের এবং হৃদয়বিদারক। কোনো সমাজেই এটি মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী প্রয়োজন, যেখানে তারা ভয়হীনভাবে বড় হতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো অন্যায়েরই সঠিক বিচার হওয়া উচিত এবং রামিসার ক্ষেত্রে বিচার কোনো বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে রামিসার জন্য বিচার দাবি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের অপরাধের জন্য কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত। আমরা আর কখনো এমন কোনো ট্র্যাজেডি দেখতে চাই না।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসা আক্তারের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়। রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে।

ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে।