ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু কুরবানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার নিয়ে বিতর্কের মাঝেই নওদার বিধায়ক ও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যটির মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেছেন, ভারতে থাকতে হলে দেশের নিয়ম মেনেই চলতে হবে। তা না হলে অন্য কোনো মুসলিম দেশে চলে যেতে পারেন হুমায়ুন কবীর।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কুরবানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৩ মে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষের খবর সামনে আসে। ঈদকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগামী ২৭ মে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ পালিত হবে। এ উৎসবে পশু কুরবানি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। 

কিন্তু উৎসবের ঠিক আগেই প্রকাশ্যে কুরবানির ওপর বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় আপত্তি তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। এই ইস্যুতে সরব হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭ শতাংশ মুসলিম গরুর মাংস খায়। কুরবানি বন্ধ করতে হলে সব কসাইখানাও বন্ধ করা উচিত। তার বক্তব্য, কুরবানি একটি ধর্মীয় প্রথা এবং তা হঠাৎ করে প্রশাসনিক নির্দেশে বন্ধ করা যায় না।

হুমায়ুন কবীরের এই বক্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, হুমায়ুন কবীর যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে চান, তাহলে তাকে সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি সেই নিয়ম মানতে আপত্তি থাকে, তাহলে তিনি যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন। এমনকি অন্য কোনো মুসলিম দেশেও যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৪২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু কুরবানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার নিয়ে বিতর্কের মাঝেই নওদার বিধায়ক ও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যটির মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেছেন, ভারতে থাকতে হলে দেশের নিয়ম মেনেই চলতে হবে। তা না হলে অন্য কোনো মুসলিম দেশে চলে যেতে পারেন হুমায়ুন কবীর।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কুরবানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৩ মে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষের খবর সামনে আসে। ঈদকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগামী ২৭ মে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ পালিত হবে। এ উৎসবে পশু কুরবানি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। 

কিন্তু উৎসবের ঠিক আগেই প্রকাশ্যে কুরবানির ওপর বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় আপত্তি তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। এই ইস্যুতে সরব হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭ শতাংশ মুসলিম গরুর মাংস খায়। কুরবানি বন্ধ করতে হলে সব কসাইখানাও বন্ধ করা উচিত। তার বক্তব্য, কুরবানি একটি ধর্মীয় প্রথা এবং তা হঠাৎ করে প্রশাসনিক নির্দেশে বন্ধ করা যায় না।

হুমায়ুন কবীরের এই বক্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, হুমায়ুন কবীর যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে চান, তাহলে তাকে সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি সেই নিয়ম মানতে আপত্তি থাকে, তাহলে তিনি যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন। এমনকি অন্য কোনো মুসলিম দেশেও যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।