আলোচিত ও জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ক্যানসার গবেষক ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে বিয়ে করেছেন তিনি। তবে শুভেচ্ছার পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে তাদের বয়সের ব্যবধান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে দীপ্তি ও মুশতাকের আকদ সম্পন্ন হয়। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ জুটিকে নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর জন্ম ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে। সেই হিসেবে বর্তমানে তার বয়স ২২ বছর। অন্যদিকে, ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্ম ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তার বর্তমান বয়স ৪৩ বছর। ফলে নবদম্পতির বয়সের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১ বছর।
এই বয়সের পার্থক্য নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ সমালোচনা ও ট্রল করলেও অন্য একটি বড় অংশ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তাই বয়স নয়, পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান ও মানসিক পরিপক্বতাই একটি সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ এত বড় বয়সের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
উল্লেখ্য, গত বছর একটি টকশোতে আত্মবিশ্বাসী ও বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে আলোচনায় আসেন দীপ্তি চৌধুরী। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। অন্যদিকে, ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং ক্যানসার গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























