২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জার্মানির প্রস্তুতিতে এবার ভিন্ন ধরনের সমস্যা এসে পড়েছে। উত্তর ক্যারোলাইনার উইনস্টন-সালেমে দলের ক্যাম্পের কাছে একটি বিষধর সাপ দেখা যায়। এরপর থেকে খেলোয়াড়দের সাপের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
জার্মানি অধিনায়ক জোশুয়া কিমিখ বিষয়টা নিয়ে কথা বলেছেন। বিবিসির বরাতে জানা গেছে, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ের খেলোয়াড়রাও একই রকম সমস্যার কথা জানিয়েছেন।
কিমিখ বলেন, ‘জার্মানিতে আমরা কৌশল, ইনজুরি আর পরের প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবি। এখানে ঘাসের মধ্যে কী লুকিয়ে আছে, সেটা নিয়েও ভাবতে হচ্ছে।’
সাপটি ছিল কপারহেড প্রজাতির, যা উত্তর ক্যারোলাইনায় বেশ সাধারণ। সাপটি যে বিষধর, সেটা জানার পর খেলোয়াড়দের চিন্তা আরও বেড়ে যায়।
কিমিখ আরও বলেন, ‘গতকাল আমরা একটা সাপ দেখেছি। আমাদের বলা হয়েছে এটা বিষধর। কামড় খেলে হাসপাতালে যেতে হবে। আমার মনে হয় না মারা যাবেন, তবে এটা নিশ্চিতভাবে বিপজ্জনক। আমার মনে হচ্ছে এ ধরনের সাপের উপর পা পড়লে পরিণতি খারাপ হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘তাই আমরা এখানকার প্রাণীদের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছি। এখানকার মানুষদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। জার্মানিতে এত বিপজ্জনক প্রাণী নেই বলেই আমার ধারণা।’
বিবিসি জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ড দল তাদের স্যান দিয়েগো ক্যাম্পে একটা বিশেষ জায়গাকে ‘সাপ এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছিল টুর্নামেন্টের আগেই।
মাঠে জার্মানির শুরুটা দারুণ ছিল। প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। পরের ম্যাচ ২১ জুন আইভরি কোস্টের বিপক্ষে। কিন্তু সাপের ঘটনা দলের মাথা থেকে সহজে যাচ্ছে না।
কিমিখ বলেন, ‘একবার যখন জানতে পারলাম সাপটা কী ধরনের আর কামড়ালে কী হবে, তখন আর মজার বিষয় মনে রইল না।’
নরওয়ে অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান থোর্সটভেডটও উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ফুটবলের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নিতে এসেছি। আর হঠাৎ দেখছি খেলোয়াড়রা প্রতিটা পদক্ষেপের আগে মাটির দিকে তাকাচ্ছে। এটা শুনে আমি একদমই খুশি না।’

ডেস্ক রিপোর্ট 






















