ফুটবলকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; এটি বৈশ্বিক সংস্কৃতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম, জাতীয় পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক বিশাল মিলনমেলা।
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে উত্তেজনা চলছে, তখন তার ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। বরং বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করেও যে কয়েকটি দেশে বিশ্বকাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা দেখা যায়, বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে তাদের অন্যতম।
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বেশিরভাগ বাংলাদেশি সমর্থকের ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনায় ভাগ হয়ে যাওয়া। এই দুই দেশের প্রতি সমর্থন জানাতে উদ্ভাবনী নানা পন্থার আশ্রয় নেন তারা। ব্রাজিল নিয়ে এদেশের উন্মাদনা নজর এড়ায়নি ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের।
চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; এটি বৈশ্বিক সংস্কৃতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম, জাতীয় পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক বিশাল মিলনমেলা। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে উত্তেজনা চলছে, তখন তার ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। এবার ছাত্রশিবিরে সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা বিশ্বকাপে কোন দলকে সাপোর্ট করেন বা বিশ্বকাপ নিয়ে তার মত প্রকাশ করছেন।
শিবির সেক্রেটারি বলেন, খেলাধুলা এক সময় দেখতাম খুবই এবং আমার প্রিয় দলছিলো সে দলের হয়ে লড়াই সংগ্রাম করতাম। দলের বিরুদ্ধে কেউ অবস্থান গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান করতাম। দলের ডেটা রাখতাম কেউ যদি দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতো সে ডেটাগুলো উপস্থাপন করতাম।
সিবগাতুল্লাহ বরেন, এবার তো বাংলাদেশে উন্মাদনা চলছে বিশ্বকাপের। দেকি কোন দল জয় পাই। আমরা চাই নতুন কোনো দল জিতুক এই প্রত্যাশা এখন।
তিনি বলেন, আমি যতোটুকুক দেখি বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল এই দুটা দলের সাপোর্টার বেশি। আমার মনে হয় আর্জেন্টিনার সাপোর্টার বেশি ব্রাজিলের হয়তোবা একটু কম।
শিবির সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, বাংলাদেশে উন্মাদনা আছে, পাশাপাশি আমরা দেখি কিছু ক্রেজি সাপোর্টার বের হয়ে যায়। খেলার জন্য মারামারি হয়, কুপাকুপিও হয় এবং খেলার জন্য মানুষ মারাও যায়। আমরা প্রত্যাশা করি সাপোর্টার থাকবে কিন্তু এমন পাগল সাপোর্টার কেউ হয়েন না।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























