ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হামলার ঘটনায় এবার বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এনসিপির লিখিত অভিযোগ ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থানকারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের সুযোগ থাকা উচিত নয়: মাহফুজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলোর লাল কার্ড ভুল ছিল, স্বীকার করল আইএফএবি স্পেনে ঘরে ফিরছেন হাজারো মানুষ, নতুন তাপপ্রবাহে আবারও দাবানলের শঙ্কা সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মামুনুল হকের চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মীদের মুখোমুখি অবস্থান, উত্তেজনা চরমে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর অপেক্ষায় ভারত জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্ত্রী ফারাহ দীবা (৬০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি গাড়িচালক মো. সবুজ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর কুষ্টিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মুনীম ফেরদৌস।

র‍্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। লুটপাটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উইং কমান্ডার কাজী আব্দুল মতিনের স্ত্রী ফারাহ দীবাকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

ঘটনার পরদিন ২৮ অক্টোবর অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী মো. মিলন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি এবং মামলার চার্জশিট অনুযায়ী, নিরাপত্তাকর্মী মিলন মিয়া ও গাড়িচালক সবুজ বিশ্বাস একসঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে ফারাহ দীবাকে আক্রমণ করেন।

এ কর্মকর্তা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

বহুল আলোচিত এ ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‍্যাব-১২ যৌথভাবে নজরদারি চালিয়ে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া থেকে প্রধান আসামি সবুজ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার ঘটনায় এবার বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এনসিপির লিখিত অভিযোগ

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্ত্রী ফারাহ দীবা (৬০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি গাড়িচালক মো. সবুজ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর কুষ্টিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মুনীম ফেরদৌস।

র‍্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। লুটপাটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উইং কমান্ডার কাজী আব্দুল মতিনের স্ত্রী ফারাহ দীবাকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

ঘটনার পরদিন ২৮ অক্টোবর অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী মো. মিলন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি এবং মামলার চার্জশিট অনুযায়ী, নিরাপত্তাকর্মী মিলন মিয়া ও গাড়িচালক সবুজ বিশ্বাস একসঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে ফারাহ দীবাকে আক্রমণ করেন।

এ কর্মকর্তা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

বহুল আলোচিত এ ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‍্যাব-১২ যৌথভাবে নজরদারি চালিয়ে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া থেকে প্রধান আসামি সবুজ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।