ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দখলমুক্ত হচ্ছে ডিএনসিসির ২৯ খাল তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগে কড়া জবাব চীনের মারা গেলেন কোরআন বুকে নিয়ে মহাকাশে যাওয়া সেই মুসলিম নভোচারী বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যে কি খুলছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার? সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন দিতে বাংলালিংককে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি আর নেই রাম মন্দিরের অর্থ কেলেঙ্কারিতে বিপাকে মোদি সরকার চাঁদা না দেওয়ায় হামলার অভিযোগ, রক্তাক্ত ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি সত্ত্বেও কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রী অর্ধেকে নামছে হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের খরচ

রাম মন্দিরের অর্থ কেলেঙ্কারিতে বিপাকে মোদি সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

অযোধ্যার রাম মন্দিরকে ঘিরে এবার বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তোলপাড় ভারত। কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাবেক হিসাব পরিদর্শক মহিপাল সিং প্রথমে মন্দিরের তহবিলে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন। এরপর উত্তর প্রদেশের বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান উপহার রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে গেছে।

বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করলে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার দায়িত্বে থাকা আটজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগের জেরে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়সহ কয়েকজন ট্রাস্টিও পদত্যাগ করেছেন।

এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ ভক্তরাও। অনেকেই তাদের দান করা স্বর্ণালঙ্কার ও রুপার ইটের হিসাব প্রকাশের দাবি তুলেছেন। অযোধ্যার এক বাসিন্দার অভিযোগ, ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

অবাক করার বিষয়, রাম মন্দির আন্দোলনের অন্যতম নেতা সন্তোষ দুবেও এই দুর্নীতির ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আর্থিক কেলেঙ্কারি আগামী বছরের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই মন্দিরে দুর্নীতির অভিযোগ ক্ষমতাসীন দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দখলমুক্ত হচ্ছে ডিএনসিসির ২৯ খাল

রাম মন্দিরের অর্থ কেলেঙ্কারিতে বিপাকে মোদি সরকার

আপডেট সময় ০৫:১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

অযোধ্যার রাম মন্দিরকে ঘিরে এবার বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তোলপাড় ভারত। কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাবেক হিসাব পরিদর্শক মহিপাল সিং প্রথমে মন্দিরের তহবিলে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন। এরপর উত্তর প্রদেশের বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান ও মূল্যবান উপহার রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে গেছে।

বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করলে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার দায়িত্বে থাকা আটজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগের জেরে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়সহ কয়েকজন ট্রাস্টিও পদত্যাগ করেছেন।

এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ ভক্তরাও। অনেকেই তাদের দান করা স্বর্ণালঙ্কার ও রুপার ইটের হিসাব প্রকাশের দাবি তুলেছেন। অযোধ্যার এক বাসিন্দার অভিযোগ, ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

অবাক করার বিষয়, রাম মন্দির আন্দোলনের অন্যতম নেতা সন্তোষ দুবেও এই দুর্নীতির ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আর্থিক কেলেঙ্কারি আগামী বছরের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই মন্দিরে দুর্নীতির অভিযোগ ক্ষমতাসীন দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

সূত্র: আল জাজিরা