ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার লাল কার্ড দেখার পরও ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার! যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিলো চীন ও রাশিয়া খামেনির শাহাদাতের পেছনে যারা জড়িত তাদের ছাড় নয়: ইরানের সেনাপ্রধান নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছেন নেইমার? গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি ব্রাজিল ম্যাচের আগে হঠাৎ অসুস্থ নরওয়ের একাধিক ফুটবলার শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর ব্রাজিল শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে জিতবে কি না, ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটারের হামলা, চাঁদাবাজি, মারধরের ঘটনায় জাহাজভাঙ্গা শিল্পে তোলপাড়, পুলিশ নির্বিকার: হতাশ শিল্প মালিকরা

শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো আইনি বাধঅ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে তার বিরুদ্ধে হওয়া সাজা এবং বিচারাধীন মামলাগুলো আইনিভাবে মোকাবিলা করা।

 

রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এ মন্তব্য করেন। সংবাদসাবস্ক্রিপশন

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিলের বিধান রয়েছে এবং সেই সময় ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা চাই তিনি দেশে ফিরে আসুন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হোন। তিনি দেশে ফিরলে আপিল ফাইলসহ অন্যান্য আইনি বিষয়গুলো তখন আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। অগ্রিম কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই।

 

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বর্তমানে অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। শাপলা চত্বর ঘটনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্যান্য বেশ কিছু মামলায় তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করা সমীচীন।

 

এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেলের ব্যবহার সম্পর্কে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লব চলাকালে স্নাইপার রাইফেলের ব্যবহারের বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে। প্রাথমিকভাবে যাদের বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে স্নাইপার ব্যবহারের অকাট্য প্রমাণ মিলেছে।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় দেখা গেছে, পুলিশের নামে ইস্যু করা অস্ত্রগুলো মূলত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যা তারা নির্বিচারে ব্যবহার করেছে।

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই অবস্থান বাংলাদেশের বিচারিক প্রক্রিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং বিগত সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো আইনি বাধঅ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে তার বিরুদ্ধে হওয়া সাজা এবং বিচারাধীন মামলাগুলো আইনিভাবে মোকাবিলা করা।

 

রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এ মন্তব্য করেন। সংবাদসাবস্ক্রিপশন

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিলের বিধান রয়েছে এবং সেই সময় ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা চাই তিনি দেশে ফিরে আসুন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হোন। তিনি দেশে ফিরলে আপিল ফাইলসহ অন্যান্য আইনি বিষয়গুলো তখন আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। অগ্রিম কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই।

 

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বর্তমানে অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। শাপলা চত্বর ঘটনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্যান্য বেশ কিছু মামলায় তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করা সমীচীন।

 

এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেলের ব্যবহার সম্পর্কে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লব চলাকালে স্নাইপার রাইফেলের ব্যবহারের বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে। প্রাথমিকভাবে যাদের বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে স্নাইপার ব্যবহারের অকাট্য প্রমাণ মিলেছে।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় দেখা গেছে, পুলিশের নামে ইস্যু করা অস্ত্রগুলো মূলত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যা তারা নির্বিচারে ব্যবহার করেছে।

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই অবস্থান বাংলাদেশের বিচারিক প্রক্রিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং বিগত সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।