ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিলো সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের স্বার্থে জোট বাঁধছে জামায়াত-আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন রবিবার সংসদ অভিমুখে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা এবার পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মামলার পেঁচে মমতা এখনই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস চাঁদাবাজি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবার ফিরে এসেছে: গোলাম পরওয়ার রয়েল রিসোর্টে আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র সফল হয়নি: মামুনুল হক নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগে মৃত বেড়ে ৬৭৫: নিখোঁজ ৩২০ বিদেশি; উদ্ধার ২৪৯৮ ‘চোখের সামনে গোটা গ্রাম উধাও’

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

এবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। বুধবার (৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বিভিন্ন টকশোতে বিরোধী পক্ষের বক্তব্যে বারবার বলা হয়েছে যে, মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তবে সম্প্রতি মীর শাহে আলম নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট, কখনো একই সময়ে স্কুলকলেজে পড়েননি এবং রাজনৈতিক সূত্রেই তাদের পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর শাহে আলমের কাজের সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। তবে সমালোচনা ও মিথ্যাচার এক বিষয় নয়। তার দাবি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ সপ্তম এবং বগুড়া ১৬তম অবস্থানে থাকলেও প্রচার করা হয়েছে যে, সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়ায় নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রচারণাকে তিনি মিথ্যাচার বলে উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, মীর শাহে আলমের কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই তার সমালোচনা করা উচিত। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে তাকে ঘিরে সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, যার উদ্দেশ্য তাকে টার্গেট করে সরকারকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মীর শাহে আলম বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ঢাকা১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে সমন্বয় সভা করেছেন এবং অতীতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসব উদ্যোগের জন্য প্রশংসা না করে তাকে নিয়মিত সমালোচনার মুখে ফেলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খানের অভিযোগ, বর্তমান বিরোধী দল ও আওয়ামী লীগউভয় পক্ষই মীর শাহে আলমকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। রাশেদ খান বলেন, ‘মীর শাহে আলমের পেছনে আওয়ামীলীগ ও তার দোসররাও সোচ্চার। এর কারণ হলো, তিনি মাসখানেক আগে বলেছেন, আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না! এসব কারণে বর্তমান বিরোধীদল ও পতিত স্বৈরাচারের দল সব একযোগে উঠেপড়ে লেগেছে!’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

আপডেট সময় ১০:৫৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

এবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। বুধবার (৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বিভিন্ন টকশোতে বিরোধী পক্ষের বক্তব্যে বারবার বলা হয়েছে যে, মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তবে সম্প্রতি মীর শাহে আলম নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট, কখনো একই সময়ে স্কুলকলেজে পড়েননি এবং রাজনৈতিক সূত্রেই তাদের পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর শাহে আলমের কাজের সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। তবে সমালোচনা ও মিথ্যাচার এক বিষয় নয়। তার দাবি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ সপ্তম এবং বগুড়া ১৬তম অবস্থানে থাকলেও প্রচার করা হয়েছে যে, সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়ায় নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রচারণাকে তিনি মিথ্যাচার বলে উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, মীর শাহে আলমের কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই তার সমালোচনা করা উচিত। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে তাকে ঘিরে সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, যার উদ্দেশ্য তাকে টার্গেট করে সরকারকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মীর শাহে আলম বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ঢাকা১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে সমন্বয় সভা করেছেন এবং অতীতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসব উদ্যোগের জন্য প্রশংসা না করে তাকে নিয়মিত সমালোচনার মুখে ফেলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খানের অভিযোগ, বর্তমান বিরোধী দল ও আওয়ামী লীগউভয় পক্ষই মীর শাহে আলমকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। রাশেদ খান বলেন, ‘মীর শাহে আলমের পেছনে আওয়ামীলীগ ও তার দোসররাও সোচ্চার। এর কারণ হলো, তিনি মাসখানেক আগে বলেছেন, আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না! এসব কারণে বর্তমান বিরোধীদল ও পতিত স্বৈরাচারের দল সব একযোগে উঠেপড়ে লেগেছে!’