ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নাতিকে টাকা ধার না দিতে দাদার মাইকিং গোয়ালন্দে তিন হাজার টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে বড় ভাইকে হত্যা: পুলিশ হালান্ডের নতুন লুকে প্রেমিকার আক্ষেপ, বললেন ‘কান্না পাচ্ছে’ ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধের ঘোষণাই সামরিকভাবে পরাজয়ের স্বীকারোক্তি: আইআরজিসি বিএনপি সরকারও ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে: ডা. শফিকুর রহমান চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় সেই তরুণী গ্রেফতার ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতার শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে: এটিএম আজহারুল ২০ বছর পর যে দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেচ্ছাসেবক দল নেতা ব্রিজ খুলে ফেলায় ৪ গ্রামের মানুষের যাতায়াত বন্ধ রংপুরে ৪ খুন, ঘাতক ছেলেকে নিজেই পুলিশ দেন বাবা

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার রায়, গ্রামের বাড়িতে কড়া নিরাপত্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

বহুল আলোচিত সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সোনাগাজীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নুসরাতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের মেজো মৌলভি বাড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে একটি বিশেষ পুলিশ টিম।

 

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম নুসরাতের বাড়ি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

 

বাড়িতে পুলিশি পাহারা বাড়ানোয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান নুসরাতের বড় ভাই ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান নোমান। এশিয়া পোস্টকে তিনি বলেন, আমরা রায়কে কেন্দ্র করে আতঙ্কে রয়েছি। আশা করছি, রায় ঘোষণার পরেও পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দেবে।

 

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি আবুল হাসিম এশিয়া পোস্টকে জানান, রায় ঘিরে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রায়ের পরও পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে নিয়োজিত থাকবে পুলিশ।

 

২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন নুসরাতের মা। এরপর ৩ এপ্রিল কারাগারে সিরাজের সঙ্গে পরামর্শ করে তার অনুগতরা। ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা চলাকালে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে গায়ে আগুন দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

 

এ ঘটনায় ৮ এপ্রিল মামলা দায়েরের পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারিক আদালত ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন। হাইকোর্টে নিম্ন আদালতের সেই মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর আগামীকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাতিকে টাকা ধার না দিতে দাদার মাইকিং

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার রায়, গ্রামের বাড়িতে কড়া নিরাপত্তা

আপডেট সময় ১০:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বহুল আলোচিত সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সোনাগাজীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নুসরাতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের মেজো মৌলভি বাড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে একটি বিশেষ পুলিশ টিম।

 

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম নুসরাতের বাড়ি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

 

বাড়িতে পুলিশি পাহারা বাড়ানোয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান নুসরাতের বড় ভাই ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান নোমান। এশিয়া পোস্টকে তিনি বলেন, আমরা রায়কে কেন্দ্র করে আতঙ্কে রয়েছি। আশা করছি, রায় ঘোষণার পরেও পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দেবে।

 

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি আবুল হাসিম এশিয়া পোস্টকে জানান, রায় ঘিরে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রায়ের পরও পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে নিয়োজিত থাকবে পুলিশ।

 

২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন নুসরাতের মা। এরপর ৩ এপ্রিল কারাগারে সিরাজের সঙ্গে পরামর্শ করে তার অনুগতরা। ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা চলাকালে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে গায়ে আগুন দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

 

এ ঘটনায় ৮ এপ্রিল মামলা দায়েরের পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারিক আদালত ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন। হাইকোর্টে নিম্ন আদালতের সেই মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর আগামীকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে।