ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিগগিরই ছায়া মন্ত্রিসভার ঘোষণা জামায়াতের, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ডা. শফিকুর জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে সৌদি বাদশাহ সালমানের অভিনন্দন সন্ত্রাসবাদের কালো তালিকা থেকে সিরিয়াকে সরালো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ ও আসামির শার্ট একই কীভাবে, জানালেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা আজ মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি স্থানীয় নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের টহল দলে অতর্কিত হামলা, ২ শান্তিরক্ষী নিহত ছয় মাসে বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন ৬২ হাজার শ্রমিক: ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের সম্প্রতি গঠিত যৌথ নিরাপত্তা জোটমক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে আল মেয়াদিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা জোটভুক্ত তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমন্ত্রণের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

ইরানের পার্লামেন্টেরখানে মিল্লাতসংবাদ সংস্থার প্রধান মেহেদী রহিমি চ্যানেলটিকে জানান, জোটভুক্ত হওয়ার জন্য ইরান একটি নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে, যা ইরানের জন্য এক ধরনের জয়, কারণ দেশটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিল।

এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মক্কায় এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে থাকা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী, সদস্য যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বিষয়টিকে নাটোর অনুচ্ছেদ ৫ এর সঙ্গে তুলনা করলেও এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে স্পষ্ট করেছেন।

জোটের দেশগুলো ইতোমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং সামরিক প্রধানদের বৈঠক, যৌথ সামরিক মহড়া এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কূটনৈতিক ও সামরিক কাঠামোর রূপরেখা তৈরি করা শুরু করেছে। এই জোটে ভবিষ্যতে মিশরসহ আরও সদস্য যুক্ত হতে পারে বলে আঙ্কারার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইরান এখন পর্যন্ত এই সমঝোতার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। গত ১০ আগস্ট দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানান, জোটটি নিয়ে তেহরানের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার একটি প্রমাণ। ইরানের অন্তর্ভূক্তির দাবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত তিন দেশের গঠিত এই জোটের চরিত্র আমূল বদলে যাবে এবং এটি একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হবে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিগগিরই ছায়া মন্ত্রিসভার ঘোষণা জামায়াতের, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ডা. শফিকুর

ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

আপডেট সময় ০৯:১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

এবার সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের সম্প্রতি গঠিত যৌথ নিরাপত্তা জোটমক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে আল মেয়াদিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা জোটভুক্ত তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমন্ত্রণের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

ইরানের পার্লামেন্টেরখানে মিল্লাতসংবাদ সংস্থার প্রধান মেহেদী রহিমি চ্যানেলটিকে জানান, জোটভুক্ত হওয়ার জন্য ইরান একটি নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে, যা ইরানের জন্য এক ধরনের জয়, কারণ দেশটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিল।

এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মক্কায় এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে থাকা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী, সদস্য যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বিষয়টিকে নাটোর অনুচ্ছেদ ৫ এর সঙ্গে তুলনা করলেও এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে স্পষ্ট করেছেন।

জোটের দেশগুলো ইতোমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং সামরিক প্রধানদের বৈঠক, যৌথ সামরিক মহড়া এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কূটনৈতিক ও সামরিক কাঠামোর রূপরেখা তৈরি করা শুরু করেছে। এই জোটে ভবিষ্যতে মিশরসহ আরও সদস্য যুক্ত হতে পারে বলে আঙ্কারার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইরান এখন পর্যন্ত এই সমঝোতার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। গত ১০ আগস্ট দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানান, জোটটি নিয়ে তেহরানের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার একটি প্রমাণ। ইরানের অন্তর্ভূক্তির দাবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত তিন দেশের গঠিত এই জোটের চরিত্র আমূল বদলে যাবে এবং এটি একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হবে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট