আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত নেপাল। হিমালয় অঞ্চলের একটি নদীতে পাহাড়ের মাটি ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ার পর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।
এমন পরিস্থিতিতে নেপালে অবস্থান করা বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিম নিরাপদে রয়েছে। তবে বন্ধুদের সঙ্গে নেপাল ভ্রমণে যাওয়া কুঁড়েঘর ব্যান্ডের ভোকাল তাসরিফ খান সেখানে আটকা পড়েছেন।
আগস্টের শুরু থেকেই নেপালের বিভিন্ন লোকেশনে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিং চলছিল। এতে অভিনয় করছেন অপু বিশ্বাসসহ বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কয়েকজন শিল্পী।
বন্যা ও পাহাড়ধসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সিনেমাটির শিল্পী-কলাকুশলীদের নিয়ে ভক্ত ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে নির্মাতা কামরুজ্জামান রোমান জানান, শুটিং ইউনিটের সবাই নিরাপদে আছেন এবং দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বর্তমানে পোখারায় থাকা অপু বিশ্বাস জানান, তাদের শুটিং এলাকায় বন্যার প্রভাব তেমন পড়েনি। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার মহাসড়ক ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অপু বলেন, ‘আমরা পোখারাতে আছি। নিরাপদে আছি। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার হাইওয়ে রাস্তা ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। শুক্রবার ফ্লাইটে ঢাকা ফিরব।’
সন্তানের কাছে নিরাপদে ফিরতে সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।
এদিকে নেপালে বেড়াতে গিয়ে বন্যার কারণে আটকা পড়েছেন তাসরিফ খান। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। তবে তিনি ও তার সঙ্গীরা নিরাপদে আছেন।
তাসরিফ বলেন, ‘আমরা নিরাপদেই আছি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’
তবে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় আপাতত দেশে ফিরতে পারছেন না তারা। যে পথে ফেরার কথা ছিল, সেখানেও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।
তাসরিফ বলেন, ‘আমরা চাইলেও এই মুহূর্তে দেশে ফিরতে পারব না। সরকারিভাবে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন, তাই আমরা চাইলেও দেশে ফিরতে পারতেছি না।’
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিরাপদে দেশে ফেরার আশা করছেন তাসরিফ। অন্যদিকে ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিম নিরাপদে থাকায় স্বস্তি ফিরেছে তাদের পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে অপু বিশ্বাসসহ সিনেমাটির পুরো টিমের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























