ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ্বের সব দেশকে ইরানের সতর্কবার্তা আধ্যাত্মিক সাধনায় নেপালে গিয়ে নিখোঁজ ইউক্রেনীয় পরিবারের ৩ সদস্য আ. লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত-এনসিপি সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে: রাশেদ খাঁন ফ্যাসিবাদী সরকারের আমদানি নির্ভরতার কারণেই জ্বালানি সংকট : জোনায়েদ সাকি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এক মাসের বেতন দেবেন নেপালের মন্ত্রীরা মৃত্যুর আগেই চল্লিশা, ৫ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন দম্পতি আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে অনুশোচনা করতে হবে, আত্ম উপলব্ধি করতে হবে: সোহেল তাজ নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ মনীষা, নেপালের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বহরে যুক্ত হচ্ছে মার্কিন জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্য ‘আশ্চর্যজনক চমক’ প্রস্তুত রেখেছে ইরান

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ মনীষা, নেপালের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে, এ ঘটনায় ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ হয়ে পড়েছেন নেপালের মেয়ে বলিউডের অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা।

 

প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মানুষের এই দুর্দশার সময়ে সবাইকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

 

এনডিটিডি জানিয়েছে, কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড অন্বীক্ষা সামিটে অংশ নিয়ে নেপালের বন্যা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

 

মনীষা বলেন, যারা এই দুর্যোগে সব হারিয়েছেন, প্রথমে সেইসব মানুষদের নিয়ে ভাবতে হবে। তাদের জন্য প্রার্থনা করছি। এত বিপুল মানুষের দুর্ভোগ দেখা সত্যিই হৃদয়বিদারক।

 

 

২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের কথা তুলে ধরে মনীষা বলেন, অনেক বছর আগে নেপালে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, সেটিও কীভাবে সবকিছু তছনছ করে দিয়েছিল, আমার মনে আছে। এবার যা হয়েছে, আকস্মিক। এমন বন্যা বা প্রকৃতির এমন ভয়ংকর রূপ আমরা অনেকেই আগে দেখিনি। সবার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্য করা উচিত।

 

নেপাল মনীষার জন্মস্থান। তার পিতামহ বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।

 

নেপালের তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় হিমবাহ ধসে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা সাড়ে চারশ ছাড়িয়েছে।

 

দেশটির ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ১২৭ জন নেপালি নাগরিকসহ মোট ৬৬৭ জন পর্যটক ও দর্শনার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

 

শত শত প্রাণহানি ঘটানো এই বিপর্যয়ে বেঁচে যাওয়া মানুষদের খোঁজে উদ্ধারকারীরা যখন তল্লাশি চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই দেশটির উত্তরাঞ্চলে নতুন করে আরও বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

বিবিসি লিখেছে, নেপাল-তিব্বত সীমান্তের ভোটে কোশি নদীতে গতিপথ বাধাগ্রস্ত হয়ে একটি হ্রদ তৈরি হওয়ায় ভাটির অঞ্চলে আবার প্রবল বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

 

২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এই বন্যাকে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে হতাহতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের সব দেশকে ইরানের সতর্কবার্তা

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ মনীষা, নেপালের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ

আপডেট সময় ০৭:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে, এ ঘটনায় ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ হয়ে পড়েছেন নেপালের মেয়ে বলিউডের অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা।

 

প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মানুষের এই দুর্দশার সময়ে সবাইকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

 

এনডিটিডি জানিয়েছে, কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড অন্বীক্ষা সামিটে অংশ নিয়ে নেপালের বন্যা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

 

মনীষা বলেন, যারা এই দুর্যোগে সব হারিয়েছেন, প্রথমে সেইসব মানুষদের নিয়ে ভাবতে হবে। তাদের জন্য প্রার্থনা করছি। এত বিপুল মানুষের দুর্ভোগ দেখা সত্যিই হৃদয়বিদারক।

 

 

২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের কথা তুলে ধরে মনীষা বলেন, অনেক বছর আগে নেপালে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, সেটিও কীভাবে সবকিছু তছনছ করে দিয়েছিল, আমার মনে আছে। এবার যা হয়েছে, আকস্মিক। এমন বন্যা বা প্রকৃতির এমন ভয়ংকর রূপ আমরা অনেকেই আগে দেখিনি। সবার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্য করা উচিত।

 

নেপাল মনীষার জন্মস্থান। তার পিতামহ বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।

 

নেপালের তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় হিমবাহ ধসে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা সাড়ে চারশ ছাড়িয়েছে।

 

দেশটির ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ১২৭ জন নেপালি নাগরিকসহ মোট ৬৬৭ জন পর্যটক ও দর্শনার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

 

শত শত প্রাণহানি ঘটানো এই বিপর্যয়ে বেঁচে যাওয়া মানুষদের খোঁজে উদ্ধারকারীরা যখন তল্লাশি চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই দেশটির উত্তরাঞ্চলে নতুন করে আরও বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

বিবিসি লিখেছে, নেপাল-তিব্বত সীমান্তের ভোটে কোশি নদীতে গতিপথ বাধাগ্রস্ত হয়ে একটি হ্রদ তৈরি হওয়ায় ভাটির অঞ্চলে আবার প্রবল বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

 

২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এই বন্যাকে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে হতাহতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।