গাজায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত ত্রাণকর্মীকে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যার ঘটনায় নির্দেশদাতা ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা কর্নেল নোচি মেন্ডেল বলেছেন, ওই হামলার জন্য তিনি এখনো ‘দুঃখিত নন’।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল ত্রাণবহরে হামলার সময় অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন মেন্ডেল। অস্ট্রেলিয়ার এবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি হামলার সিদ্ধান্তের দায় স্বীকার করে বলেন, তিনিই অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নিহত সাত ত্রাণকর্মীর মধ্যে ফিলিস্তিনি, ব্রিটিশ, অস্ট্রেলীয়, কানাডীয় ও পোলিশ নাগরিক ছিলেন।
মেন্ডেল দাবি করেন, ত্রাণকর্মীদের হত্যার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। তবে তিনি বলেন, নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তের জন্য তিনি অনুতপ্ত নন।
হামলার পর তাকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নাহাল পদাতিক ব্রিগেডের চিফ অব স্টাফের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী জানায়, নিয়ম লঙ্ঘন ও প্রচলিত কার্যপদ্ধতি অনুসরণ না করাসহ একাধিক ব্যর্থতার কারণেই ওই হামলা ঘটে।
তবে চলতি আগস্টে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি তদন্ত করা হবে না। সিদ্ধান্তটির নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া একে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছে। নিহতদের পরিবার ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির অধিকার রাখে বলেও জানায় দেশ তিনটি।
অন্যদিকে সাক্ষাৎকারে মেন্ডেল ডব্লিউসিকে কর্মীদের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ থাকার অভিযোগ তোলেন। তবে সংস্থাটি এ অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও জঘন্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ডব্লিউসিকে বলেছে, নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় এড়ানোর চেষ্টা হিসেবেই এমন অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হামলার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















