ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার মেসিকে বিশেষ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিলেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট মাদক কারবারিকে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরানো সেই এসআইকে শোকজ চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বহিষ্কার ইকরার আত্মহত্যা: দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে যাহের আলভী গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২৫ জুলাই মাসের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ কেপ ভার্দের কাছে হেরে আর্জেন্টিনার বিদায়: ওঝার ভবিষ্যদ্বাণী অনলাইন জুয়া-বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা জরিমানা মা-বাবার মানসিক কষ্ট ‘সইতে না পেরে’ হিন্দু ধর্মে ফিরলেন সেই আয়ুষ মালিক

খুলে দেয়া হলো সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ফেনীতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত গিয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুতগতিতে পানি সাগরের গড়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহুরী সেচ প্রকল্প। এটি মূলত মুহুরী, কুহুয়াও সিলোনিয়া নদীর পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজানে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনে মুহুরী প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেগুলেটরের ৪০টি গেট খোলা আছে। যেগুলো দিয়ে দ্রুত গতিতে পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে।

বর্তমানে ফেনী নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। মুহুরী প্রকল্পের মাধ্যমে গেট খোলা রেখে বা বন্ধ রেখে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জোয়ারের কারণে উল্টা দিক থেকে যেন পানি প্রবেশ করতে না পারে এজন্য গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়। এবারও জোয়ারের সময় গেট গুলো বন্ধ রাখা হয়েছিলো। প্রতিদিন গড়ে দুইবার ২ ঘন্টা করে গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আ্খতার হোসেন মজুমদার বলেন, পানির চাপ বেড়ে গেলেই ৪০টি গেট একসাথে খুলে দেয়া হয়েছে। সারাদিন পানি নামছে। শুধু জোয়ারের সময় গেট বন্ধ রাখা হচ্ছে। ১৯৭৭-৭৮অর্থ বছরে শুরু হয়ে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহকে আড়ি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ ফোক্ট বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরী করে ফেনী জেলার ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজী এবং চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিয়দংশ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ কমানো ও আমন ফসলে অতিরিক্ত সেচ সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল মুহুরী সেচ প্রকল্প।

সিডা, ইইসি, বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তায় জাপানের সিমুজু কোম্পানী ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেচ প্রকল্প নির্মাণ করে। এর ফলে ২০,১৯৪ হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ২৭,১২৫ হেক্টর এলাকা সম্পুরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার

খুলে দেয়া হলো সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক

আপডেট সময় ০৬:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

এবার ফেনীতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত গিয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুতগতিতে পানি সাগরের গড়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহুরী সেচ প্রকল্প। এটি মূলত মুহুরী, কুহুয়াও সিলোনিয়া নদীর পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজানে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনে মুহুরী প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেগুলেটরের ৪০টি গেট খোলা আছে। যেগুলো দিয়ে দ্রুত গতিতে পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে।

বর্তমানে ফেনী নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। মুহুরী প্রকল্পের মাধ্যমে গেট খোলা রেখে বা বন্ধ রেখে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জোয়ারের কারণে উল্টা দিক থেকে যেন পানি প্রবেশ করতে না পারে এজন্য গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়। এবারও জোয়ারের সময় গেট গুলো বন্ধ রাখা হয়েছিলো। প্রতিদিন গড়ে দুইবার ২ ঘন্টা করে গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আ্খতার হোসেন মজুমদার বলেন, পানির চাপ বেড়ে গেলেই ৪০টি গেট একসাথে খুলে দেয়া হয়েছে। সারাদিন পানি নামছে। শুধু জোয়ারের সময় গেট বন্ধ রাখা হচ্ছে। ১৯৭৭-৭৮অর্থ বছরে শুরু হয়ে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহকে আড়ি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ ফোক্ট বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরী করে ফেনী জেলার ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজী এবং চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিয়দংশ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ কমানো ও আমন ফসলে অতিরিক্ত সেচ সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল মুহুরী সেচ প্রকল্প।

সিডা, ইইসি, বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তায় জাপানের সিমুজু কোম্পানী ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেচ প্রকল্প নির্মাণ করে। এর ফলে ২০,১৯৪ হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ২৭,১২৫ হেক্টর এলাকা সম্পুরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে।