ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা

খুলে দেয়া হলো সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ফেনীতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত গিয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুতগতিতে পানি সাগরের গড়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহুরী সেচ প্রকল্প। এটি মূলত মুহুরী, কুহুয়াও সিলোনিয়া নদীর পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজানে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনে মুহুরী প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেগুলেটরের ৪০টি গেট খোলা আছে। যেগুলো দিয়ে দ্রুত গতিতে পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে।

বর্তমানে ফেনী নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। মুহুরী প্রকল্পের মাধ্যমে গেট খোলা রেখে বা বন্ধ রেখে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জোয়ারের কারণে উল্টা দিক থেকে যেন পানি প্রবেশ করতে না পারে এজন্য গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়। এবারও জোয়ারের সময় গেট গুলো বন্ধ রাখা হয়েছিলো। প্রতিদিন গড়ে দুইবার ২ ঘন্টা করে গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আ্খতার হোসেন মজুমদার বলেন, পানির চাপ বেড়ে গেলেই ৪০টি গেট একসাথে খুলে দেয়া হয়েছে। সারাদিন পানি নামছে। শুধু জোয়ারের সময় গেট বন্ধ রাখা হচ্ছে। ১৯৭৭-৭৮অর্থ বছরে শুরু হয়ে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহকে আড়ি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ ফোক্ট বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরী করে ফেনী জেলার ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজী এবং চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিয়দংশ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ কমানো ও আমন ফসলে অতিরিক্ত সেচ সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল মুহুরী সেচ প্রকল্প।

সিডা, ইইসি, বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তায় জাপানের সিমুজু কোম্পানী ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেচ প্রকল্প নির্মাণ করে। এর ফলে ২০,১৯৪ হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ২৭,১২৫ হেক্টর এলাকা সম্পুরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

খুলে দেয়া হলো সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক

আপডেট সময় ০৬:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

এবার ফেনীতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত গিয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুহুরী সেচ প্রকল্পের সব ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুতগতিতে পানি সাগরের গড়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহুরী সেচ প্রকল্প। এটি মূলত মুহুরী, কুহুয়াও সিলোনিয়া নদীর পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজানে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনে মুহুরী প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেগুলেটরের ৪০টি গেট খোলা আছে। যেগুলো দিয়ে দ্রুত গতিতে পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে।

বর্তমানে ফেনী নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। মুহুরী প্রকল্পের মাধ্যমে গেট খোলা রেখে বা বন্ধ রেখে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জোয়ারের কারণে উল্টা দিক থেকে যেন পানি প্রবেশ করতে না পারে এজন্য গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়। এবারও জোয়ারের সময় গেট গুলো বন্ধ রাখা হয়েছিলো। প্রতিদিন গড়ে দুইবার ২ ঘন্টা করে গেটগুলো বন্ধ রাখা হয়।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আ্খতার হোসেন মজুমদার বলেন, পানির চাপ বেড়ে গেলেই ৪০টি গেট একসাথে খুলে দেয়া হয়েছে। সারাদিন পানি নামছে। শুধু জোয়ারের সময় গেট বন্ধ রাখা হচ্ছে। ১৯৭৭-৭৮অর্থ বছরে শুরু হয়ে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহকে আড়ি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ ফোক্ট বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরী করে ফেনী জেলার ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজী এবং চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিয়দংশ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ কমানো ও আমন ফসলে অতিরিক্ত সেচ সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল মুহুরী সেচ প্রকল্প।

সিডা, ইইসি, বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তায় জাপানের সিমুজু কোম্পানী ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেচ প্রকল্প নির্মাণ করে। এর ফলে ২০,১৯৪ হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ২৭,১২৫ হেক্টর এলাকা সম্পুরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে।