ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম ফ্যামিলি কার্ড তৈরির ২৪২ কোটি টাকা খরচ ‘রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়’: সার্জিস আলম বিয়ের দুই মাসের মাথায় সড়কে ঝরল কিশোরের প্রাণ মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়িতে চলছে পিংক বাস, মাসে লোকসান ১২ লাখ! সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার

মাঠে ফিরছে কিংস: ফুটবলে নতুন আশার আলো

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক: ​ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি।

বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ।

​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে।

​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।

​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম

মাঠে ফিরছে কিংস: ফুটবলে নতুন আশার আলো

আপডেট সময় ১১:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ​ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি।

বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ।

​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে।

​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।

​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।