ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প ধর্ষিতার বাবা নয়-গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম, আমি কি তার জন্য দায়ী?: রামিসার বাবা ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে উত্তাল ভারতের রাজধানী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ বেআইনি: শিশির মনির অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন হচ্ছে আইন অনুযায়ী: বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে প্রশ্নে জয়সোয়াল তিন দিনের সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র

আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টিরও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিতের দাবি গণঅধিকার পরিষদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • ৪০২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বিচার দাবি করে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। রোববার (১ জুন) ঢাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ দাবি জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা গণতন্ত্র হত্যার জন্য দায়ী, ঠিক তেমনি জিএম কাদেরও সমান দায়ী। যদি হাসিনার বিচার হয়, তাহলে জিএম কাদেরের বিচার কেন হবে না?” বরিশালে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর জাতীয় পার্টির হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টির মিছিল-মিটিংয়ে এখন আওয়ামী লীগও যুক্ত হচ্ছে। তারা একসঙ্গে গণতন্ত্র ধ্বংসের কাজে নিয়োজিত।”

তিনি দাবি করেন, জিএম কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। এতে প্রমাণ হয়, তিনি শেখ হাসিনার ‘প্রথম দোসর’। “হাসিনা দিল্লি পালিয়েছেন, আর জিএম কাদের এখনো জেলের বাইরে— এটা মেনে নেওয়া যায় না,” বলেন রাশেদ খান। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরিশালের হামলার দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান, অন্যথায় সারাদেশে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, “জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে বলছি, আজ থেকে জাতীয় পার্টিকে আমরা নিষিদ্ধ বলেই গণ্য করব। যেখানে পাব, সেখানেই প্রতিরোধ হবে।”

আরেক নেতা হাসান আল মামুন বলেন, “২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ভোট ডাকাতিতে জাতীয় পার্টিই আওয়ামী লীগের প্রথম সহযোগী ছিল। নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবিতে আমরা আবেদন করেছি, কিন্তু কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।” তিনি বলেন, হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও জিএম কাদের এখনো গ্রেপ্তার হননি, যা সরকারের পক্ষপাতমূলক আচরণকে প্রমাণ করে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আবু হানিফ, আব্দুজ জাহের, মাহফুজুর রহমান খান, রবিউল হাসান, মনজুর মোর্শেদ মামুন, আব্দুর রহমান, নেওয়াজ খান বাপ্পীসহ অন্যান্য নেতারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টিরও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিতের দাবি গণঅধিকার পরিষদের

আপডেট সময় ০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বিচার দাবি করে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। রোববার (১ জুন) ঢাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ দাবি জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা গণতন্ত্র হত্যার জন্য দায়ী, ঠিক তেমনি জিএম কাদেরও সমান দায়ী। যদি হাসিনার বিচার হয়, তাহলে জিএম কাদেরের বিচার কেন হবে না?” বরিশালে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর জাতীয় পার্টির হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টির মিছিল-মিটিংয়ে এখন আওয়ামী লীগও যুক্ত হচ্ছে। তারা একসঙ্গে গণতন্ত্র ধ্বংসের কাজে নিয়োজিত।”

তিনি দাবি করেন, জিএম কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। এতে প্রমাণ হয়, তিনি শেখ হাসিনার ‘প্রথম দোসর’। “হাসিনা দিল্লি পালিয়েছেন, আর জিএম কাদের এখনো জেলের বাইরে— এটা মেনে নেওয়া যায় না,” বলেন রাশেদ খান। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরিশালের হামলার দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান, অন্যথায় সারাদেশে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, “জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে বলছি, আজ থেকে জাতীয় পার্টিকে আমরা নিষিদ্ধ বলেই গণ্য করব। যেখানে পাব, সেখানেই প্রতিরোধ হবে।”

আরেক নেতা হাসান আল মামুন বলেন, “২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ভোট ডাকাতিতে জাতীয় পার্টিই আওয়ামী লীগের প্রথম সহযোগী ছিল। নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবিতে আমরা আবেদন করেছি, কিন্তু কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।” তিনি বলেন, হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও জিএম কাদের এখনো গ্রেপ্তার হননি, যা সরকারের পক্ষপাতমূলক আচরণকে প্রমাণ করে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আবু হানিফ, আব্দুজ জাহের, মাহফুজুর রহমান খান, রবিউল হাসান, মনজুর মোর্শেদ মামুন, আব্দুর রহমান, নেওয়াজ খান বাপ্পীসহ অন্যান্য নেতারা।