ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু আকাশে হঠাৎ দেখা গেল আগুনের গোলা, কৌতূহলের সৃষ্টি জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সরকার ৫ দিন পর আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বজ্রপাতে সোমবারও ৪ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু গভীর রাতে ছাত্রীসহ কর্মকর্তা আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে, তদন্ত কমিটি গঠন অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া সেই যুবক আটক নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করবে ইসি, আপিলে যাবে না সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড: আদালতের প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ

আ.লীগের মিত্রদের নিয়ে জোট গড়ার চেষ্টা জাতীয় পার্টিসহ ১৬টি দলের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের জাতীয় পার্টিসহ (জাপা) ১৬টি দল ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট’ গঠনে একমত হয়েছে। মঞ্জু ও আনিস বিগত শেখ হাসিনার সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। বাকি দলগুলোর অধিকাংশ আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিল।

গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশানে হাওলাদার টাওয়ারে দলগুলোর মতবিনিময় সভা হয়েছে। জোটের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেয়েছেন জাপার (আনিস) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। আগামী ৬ ডিসেম্বর জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সভায় ব্যারিস্টার আনিস বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে ভালো ফলের সম্ভাবনা আছে। জোটের মূলমন্ত্র হবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, উদার গণতন্ত্র ও সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন এরশাদের জাপার মহাসচিব মঞ্জু। পরে এরশাদকে ছেড়ে জেপি নামে পৃথক দল গড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে থেকে যান। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে জাপা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটে যোগ দেয়। সেবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়ে ফের মন্ত্রী হন মঞ্জু। রাতের ভোটখ্যাত ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোটের এমপি হন। তবে ডামি নির্বাচনখ্যাত চব্বিশের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে মঞ্জু নৌকা প্রতীক পেয়েও হেরে যান।

বিএনপির হয়ে রাজনীতি শুরু করা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ জোটের হয়ে এমপি হন। ২০১৪ সালে মন্ত্রী হন। ২০২৪ সালে হন বিরোধীদলীয় উপনেতা। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর নেতৃত্ব নিয়ে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে বিরোধে একই নামে দল করেন ব্যারিস্টার আনিস। ব্যারিস্টার আনিসের সভাপতিত্বে গতকাল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যের রাজনীতি করি। অন্তর্বর্তী সরকার বিভাজনের রাজনীতি করছে।

সভায় অংশ নেন জনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন, মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাপার (মতিন) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ এন এম সিরাজুল ইসলাম, মুসলিম লীগের সভাপতি মহসিন রশিদ, এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আশরাফুল হক, ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওহেদ ফারুক, জাতীয় সংস্কার জোটের সভাপতি মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী, মানবাধিকার পার্টির চেয়ারম্যান আখতার হোসেন, জাগপার একাংশের সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু প্রমুখ। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বৃহত্তর জোট গঠনে ১৬ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু

আ.লীগের মিত্রদের নিয়ে জোট গড়ার চেষ্টা জাতীয় পার্টিসহ ১৬টি দলের

আপডেট সময় ১১:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের জাতীয় পার্টিসহ (জাপা) ১৬টি দল ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট’ গঠনে একমত হয়েছে। মঞ্জু ও আনিস বিগত শেখ হাসিনার সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। বাকি দলগুলোর অধিকাংশ আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিল।

গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশানে হাওলাদার টাওয়ারে দলগুলোর মতবিনিময় সভা হয়েছে। জোটের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেয়েছেন জাপার (আনিস) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। আগামী ৬ ডিসেম্বর জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সভায় ব্যারিস্টার আনিস বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে ভালো ফলের সম্ভাবনা আছে। জোটের মূলমন্ত্র হবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, উদার গণতন্ত্র ও সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন এরশাদের জাপার মহাসচিব মঞ্জু। পরে এরশাদকে ছেড়ে জেপি নামে পৃথক দল গড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে থেকে যান। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে জাপা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটে যোগ দেয়। সেবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়ে ফের মন্ত্রী হন মঞ্জু। রাতের ভোটখ্যাত ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোটের এমপি হন। তবে ডামি নির্বাচনখ্যাত চব্বিশের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে মঞ্জু নৌকা প্রতীক পেয়েও হেরে যান।

বিএনপির হয়ে রাজনীতি শুরু করা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ জোটের হয়ে এমপি হন। ২০১৪ সালে মন্ত্রী হন। ২০২৪ সালে হন বিরোধীদলীয় উপনেতা। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর নেতৃত্ব নিয়ে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে বিরোধে একই নামে দল করেন ব্যারিস্টার আনিস। ব্যারিস্টার আনিসের সভাপতিত্বে গতকাল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যের রাজনীতি করি। অন্তর্বর্তী সরকার বিভাজনের রাজনীতি করছে।

সভায় অংশ নেন জনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন, মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাপার (মতিন) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ এন এম সিরাজুল ইসলাম, মুসলিম লীগের সভাপতি মহসিন রশিদ, এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আশরাফুল হক, ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওহেদ ফারুক, জাতীয় সংস্কার জোটের সভাপতি মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী, মানবাধিকার পার্টির চেয়ারম্যান আখতার হোসেন, জাগপার একাংশের সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু প্রমুখ। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বৃহত্তর জোট গঠনে ১৬ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য হয়েছে।