ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পদত্যাগ করলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা লক্ষ্য: সংসদে প্রধানমন্ত্রী সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গলা টিপে ধরছে কি না, সংসদে প্রশ্ন হান্নান মাসউদের যুবলীগ নেতাকে বাঁচাতে বিএনপি সভাপতির হুমকি বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ স্বৈরাচারের সময়ে বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী নিজের বি’রুদ্ধে অভি/যোগের প্রমাণ উন্মুক্ত করতে বললেন আসিফ মাহমুদ পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার দাবি নাকচ করল মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বং’স করতে ইরানকে গোপনে ‘ক্ষেপ/ণা/স্ত্র’ সহায়তা করছে রাশিয়া

যুবলীগ নেতাকে বাঁচাতে বিএনপি সভাপতির হুমকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বকশীগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর। হত্যা মামলার আসামি এবং ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগ থাকা ভাইকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেছেন, নজরুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়া হবে। দলের ভেতরের বিরোধীদেরও দিয়েছেন সতর্কবার্তা এখনো যারা ভালো হননি, দ্রুত ভালো হয়ে যান।’

 

গত মঙ্গলবার বকশীগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় দেওয়া এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে জেলার বিভিন্ন মহলে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

 

 

নজরুল ইসলাম সওদাগর এক সময় উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১২ জুন তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরে তাকে বকশীগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক করা হয়।

 

তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া গত ৪ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর চাইনিজ কুড়াল নিয়ে হামলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

নজরুলের বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বকশীগঞ্জের খয়ের উদ্দিন মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে নজরুল কয়েকজন সহযোগীসহ উপস্থিত হন।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান, জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

 

এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি নজরুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে বকশীগঞ্জ পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মিছিল শেষে থানায় স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। পরে ১২ আগস্ট রাতে রাজধানীর উত্তরার সাঙ্গাম মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। একাধিক মামলায় সাত মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ করলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ

যুবলীগ নেতাকে বাঁচাতে বিএনপি সভাপতির হুমকি

আপডেট সময় ০৯:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বকশীগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর। হত্যা মামলার আসামি এবং ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগ থাকা ভাইকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেছেন, নজরুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়া হবে। দলের ভেতরের বিরোধীদেরও দিয়েছেন সতর্কবার্তা এখনো যারা ভালো হননি, দ্রুত ভালো হয়ে যান।’

 

গত মঙ্গলবার বকশীগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় দেওয়া এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে জেলার বিভিন্ন মহলে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

 

 

নজরুল ইসলাম সওদাগর এক সময় উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১২ জুন তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরে তাকে বকশীগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক করা হয়।

 

তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া গত ৪ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর চাইনিজ কুড়াল নিয়ে হামলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

নজরুলের বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বকশীগঞ্জের খয়ের উদ্দিন মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে নজরুল কয়েকজন সহযোগীসহ উপস্থিত হন।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান, জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

 

এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি নজরুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে বকশীগঞ্জ পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মিছিল শেষে থানায় স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। পরে ১২ আগস্ট রাতে রাজধানীর উত্তরার সাঙ্গাম মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। একাধিক মামলায় সাত মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।