ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা হান্নান গ্রেফতার চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে নাসীরুদ্দীনের প্রতিবাদ, ‘ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না’ সাধারণদের মতোই ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেলেন জাইমা রহমান, বিশেষ সুবিধা নয় বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে জুলাইকে অস্বীকার করেছে: গোলাম পরওয়ার জুলাই কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর অর্জন নয়: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পুকুরে ভাসতে থাকা ফুটবলই কেড়ে নিলো শিশু সিয়ামের প্রাণ একযোগে তা’মীরুল মিল্লাত মাদরাসার ৩০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরান গ্রেপ্তার হাসিনাকে এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: নাহিদ ইসলাম তীব্র গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে সিএনজি চালকরা, কমেনি মালিকদের জমা

জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, কর্নেল অলি তার বাস্তব উদাহরণ: রাশেদ খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

এবার একজন বর্ষীয়ান নেতা হয়েও আমার মাবাবাকে নিয়ে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়ে আপনি নিজের বংশ ও জাত চেনালেন! জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি (কর্নেল অলি আহমেদ) তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। রোববার দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে রাশেদ খান লিখেছেন, কর্নেল অলি আহমেদের মত মানুষ আমার সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে, আমার বাবামায়ের পরিচয় নেই বলে যে ধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন, এরপর থেকে তিনি আর ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না! তবুও আমি তাকে সম্মান দিয়েই কথা বলব মিস্টার কর্নেল অলি আহমেদ, আপনি ১ সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোর হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট মাসুদ করিমের সঙ্গে আপনার সখ্যতা ও লেনদেনের বিষয়টি আমি সামনে এনেছি, যে সংবাদ ইতোপূর্বে প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছিল। আপনার সৎ সাহস থাকলে বলুন যে, আপনার সঙ্গে মাসুদ করিমের কোনো সম্পর্ক ছিল না

তিনি লেখেন, আপনি আমাকে ‌‘বা মোসাদের এজেন্ট বলেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশে আমরা যখন আধিপত্য বিরোধী সংগ্রাম করতে গিয়ে মাইর খেয়েছি, মামলা খেয়েছি, তখন আপনি হাসিনার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপোস করে বিরোধীদলের আন্দোলনকে ব্যর্থ করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন। আপনি জামায়াতের হাতে আসন তুলে দেওয়ার জন্য বিএনপি থেকে বেশি আসন চেয়েছিলেন, কিন্তু বিএনপি তদন্ত করে পায় যে, দুর্বল প্রার্থীদের কাছে এতো আসন ছাড়লে, সব জামায়াতের দখলে যাবে!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, আপনি যে জামায়াতের হয়ে খেলতেছিলেন, সেটির প্রমাণই জামায়াত জোটে আপনার যোগদান করা। তার মানে বিএনপি সঠিক ছিল। আপনার মনে রাখা উচিত, আমার বাপমা যেসময় (কোটা সংস্কার আন্দোলন) আমার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করেছে, সেসময় আপনি গোয়েন্দা সংস্থার খপ্পরের মধ্যে ছিলেন। 

তিনি আরও লেখেন, আমি রাশেদ খান আমার কোনো বংশ মাবাবার পরিচয়ে এই পর্যন্ত আসিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে একজন শ্রমিকের সন্তান হয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা (আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে আমি একমাত্র গ্রাজুয়েট), ১৮২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে একজন সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে ভূমিকা রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। কিন্তু একজন বর্ষীয়ান নেতা হয়েও আমার মাবাবাকে নিয়ে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়ে আপনি নিজের বংশ ও জাত চেনালেন! জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি (কর্নেল অলি আহমেদ) তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা হান্নান গ্রেফতার

জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, কর্নেল অলি তার বাস্তব উদাহরণ: রাশেদ খান

আপডেট সময় ১০:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

এবার একজন বর্ষীয়ান নেতা হয়েও আমার মাবাবাকে নিয়ে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়ে আপনি নিজের বংশ ও জাত চেনালেন! জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি (কর্নেল অলি আহমেদ) তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। রোববার দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে রাশেদ খান লিখেছেন, কর্নেল অলি আহমেদের মত মানুষ আমার সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে, আমার বাবামায়ের পরিচয় নেই বলে যে ধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন, এরপর থেকে তিনি আর ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না! তবুও আমি তাকে সম্মান দিয়েই কথা বলব মিস্টার কর্নেল অলি আহমেদ, আপনি ১ সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোর হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট মাসুদ করিমের সঙ্গে আপনার সখ্যতা ও লেনদেনের বিষয়টি আমি সামনে এনেছি, যে সংবাদ ইতোপূর্বে প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছিল। আপনার সৎ সাহস থাকলে বলুন যে, আপনার সঙ্গে মাসুদ করিমের কোনো সম্পর্ক ছিল না

তিনি লেখেন, আপনি আমাকে ‌‘বা মোসাদের এজেন্ট বলেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশে আমরা যখন আধিপত্য বিরোধী সংগ্রাম করতে গিয়ে মাইর খেয়েছি, মামলা খেয়েছি, তখন আপনি হাসিনার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপোস করে বিরোধীদলের আন্দোলনকে ব্যর্থ করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন। আপনি জামায়াতের হাতে আসন তুলে দেওয়ার জন্য বিএনপি থেকে বেশি আসন চেয়েছিলেন, কিন্তু বিএনপি তদন্ত করে পায় যে, দুর্বল প্রার্থীদের কাছে এতো আসন ছাড়লে, সব জামায়াতের দখলে যাবে!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, আপনি যে জামায়াতের হয়ে খেলতেছিলেন, সেটির প্রমাণই জামায়াত জোটে আপনার যোগদান করা। তার মানে বিএনপি সঠিক ছিল। আপনার মনে রাখা উচিত, আমার বাপমা যেসময় (কোটা সংস্কার আন্দোলন) আমার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করেছে, সেসময় আপনি গোয়েন্দা সংস্থার খপ্পরের মধ্যে ছিলেন। 

তিনি আরও লেখেন, আমি রাশেদ খান আমার কোনো বংশ মাবাবার পরিচয়ে এই পর্যন্ত আসিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে একজন শ্রমিকের সন্তান হয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা (আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে আমি একমাত্র গ্রাজুয়েট), ১৮২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে একজন সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে ভূমিকা রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। কিন্তু একজন বর্ষীয়ান নেতা হয়েও আমার মাবাবাকে নিয়ে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়ে আপনি নিজের বংশ ও জাত চেনালেন! জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি (কর্নেল অলি আহমেদ) তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ।