ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র ‘ইতিহাসের বড় শিক্ষা হলো মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না’ উত্তেজনা নিরসনে নিজেই গ্রাফিতি আঁকলেন মেয়র শাহাদাত ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন মার্কিন পতাকায় আবৃত উপসাগরীয় অঞ্চল, বিতর্কিত ছবিতে কীসের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প দেশজুড়ে আলোচিত মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গুলির ঘটনায় সেই শিক্ষকের কারাদণ্ড সৌদিতে যুদ্ধবিমান-আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা-সেনা মোতায়েন করল পাকিস্তান সুন্দরবনে বনজীবী নিহত: বন বিভাগের কার্যালয় ঘেরাও, আহত ৫ মহারাষ্ট্রে ট্রাক-টেম্পো-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১৩ বরযাত্রীর

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?