ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ আসিফের নিজ উপজেলাতেই ৪৫৩ কোটি, ২৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফেনী ‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’- সারের মজুত নিয়ে সংসদে কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি জামায়াত এমপির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক, এলাকায় উত্তেজনা

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?