ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোদির মন্ত্রিসভায় এক সদস্যের পদত্যাগ ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম ‘গুলি চালিয়েও অস্বীকার’, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রমাণ তুলে ধরলেন রাহুল মিরপুরে গোলাগুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২ মরদেহ উদ্ধারে গিয়ে পুলিশ সদস্য দেখলেন নিহত স্কুলছাত্র নিজেরই ছেলে পদত্যাগের পরও আজীবন পেনশনসহ রাষ্ট্রীয় নানা সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আন্দোলনরত তরুণদের সঙ্গে ইনস্ট্রাগ্রামে যুক্ত হতে মন্ত্রীদের নির্দেশনা মোদির রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্রের ভাষা ‘অস্বাভাবিক’: সন্দেহ শিশির মনিরের পদত্যাগ করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং সাহাবুদ্দিনের চিকিৎসা দেশেই সম্ভব: ডা. শফিক

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদির মন্ত্রিসভায় এক সদস্যের পদত্যাগ

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?