ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু আকাশে হঠাৎ দেখা গেল আগুনের গোলা, কৌতূহলের সৃষ্টি জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সরকার ৫ দিন পর আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বজ্রপাতে সোমবারও ৪ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু গভীর রাতে ছাত্রীসহ কর্মকর্তা আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে, তদন্ত কমিটি গঠন অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া সেই যুবক আটক নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করবে ইসি, আপিলে যাবে না সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড: আদালতের প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু

ধানমন্ডি ৩২ এর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্ক দেখি না: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ১০:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হাসিনা তার বাবাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তার বাবাকে একটা মনস্টার বানিয়ে রেখেছিল। ফলে মানুষের সমস্ত রাগ যেয়ে পড়েছে তার বাবার ওপরে। ধানমন্ডি ৩২ অনেকের কাছে শেখ মুজিবের ওইটা একটা বাড়ি। আমি এক্সেপ্ট করি যে, অনেকের মেমোরির সাথে এটা জড়িত। কিন্তু ওইটার সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক দেখি না। সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা প্যারেড করলেই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী হয়ে গেলাম? আমরা কোন কাজটা করেছি যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্পিরিটের এগেনস্টে গেছে? মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী নাকি? মানুষকে তার ডেমোক্রেসিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী? মানুষকে তার সমস্ত ধরনের অধিকার, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এটা কি চেতনা বিরোধী? দেশে ৫৪ বছর ধরে কোর্টগুলোকে ল মিনিস্ট্রি কবজায় রেখেছে। সেটাকে আমরা সরিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স দিচ্ছি।

শফিকুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কি বলে? মুক্তিযোদ্ধা আমাদেরকে বলে যে দেশে একটা শোষণমুক্ত, সবার জন্য একটা বাংলাদেশ তৈরি করা। যেখানে কোনো ডিসক্রিমিনেশন থাকবে না। এমন একটা কাজ সেখানে আমি প্রাউডলি বলতে পারি— আমি এই দেশের নাগরিক। আমি হয়তো গরীব আছি কিন্তু আমার প্রাইডের জায়গাটা আছে।

সেটাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে। শফিকুল আলম আরো বলেন, ওনারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আসছিলেন, ওনার বাপ-মা, খালা-খালু দিয়ে। ৮৮৮ টা ইস্টাবলিশমেন্ট বিল্ডিং, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে নাম দেওয়া হয়নি শেখ ফ্যামিলির নামে। আমরা কি একটা কিংডমের বাসিন্দা? ওনাদের রাজত্বে আমাদের তখন মাথা নত। আমরা প্রজা হিসেবে ছিলাম। তখন এই কথাটা আসেনি। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই ছিল?