ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু আকাশে হঠাৎ দেখা গেল আগুনের গোলা, কৌতূহলের সৃষ্টি জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সরকার ৫ দিন পর আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বজ্রপাতে সোমবারও ৪ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু গভীর রাতে ছাত্রীসহ কর্মকর্তা আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে, তদন্ত কমিটি গঠন অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া সেই যুবক আটক নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করবে ইসি, আপিলে যাবে না সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড: আদালতের প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ

তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে চায় জামায়াত: মির্জা গালিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতা জামায়াত কাজে লাগাতে চায় জানিয়ে মির্জা গালিব বলেন, ‘দলটি এজন্য জনমত তৈরি করছে। রাজনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি বৈধ। কারণ, এগুলো সব রাজনৈতিক দল করে। কিন্তু দুই জায়গা থেকে এটি খুব প্রশংসাযোগ্য কাজ নয়। একটি সেন্সিবল জায়গা থেকে, আরেকটি বড় দুটি দলের গণতন্ত্রের সৌন্দয়ের জায়াগা থেকে।’ মঙ্গলবার দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন এটি প্রত্যাশা ছিল, অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও এখন পর্যন্ত দেশে ফেরেন নি তিনি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে জামায়াতে নেতাদের মন্তব্যের বিষয়ে উপস্থাপক জানতে চাইলে ড. মির্জা গালিব বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সবাই আশা করেছিলাম তারেক রহমান দেশে আসবেন। অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও তিনি এখন পর্যন্ত আসেননি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। জামায়াতের বিভিন্ন নেতৃবন্দের যে বক্তব্য সেগুলো জনমনের প্রশ্নের সঙ্গে রিলেটেড।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মানের জায়গায় রয়েছেন খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের তিনি আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান রয়েছে, ওনি আমাদের সম্পদ।’ তারেক রহমানের দেশে আসার সমালোচনা তিনভাগে আলোচনা করা যেতে পারে বলে জানান মির্জা গালিব। ‘প্রথমত, এটি ওনার ব্যক্তিগত বিষয়। ওনি কখন আসবেন, এটি নিয়ে অন্য কারও বক্তব্য দেয়া সমীচীন নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে এটিকে ব্যবহার করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি দলীয় বিষয়। ওনি যেহেতু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এজন্য যতো তাড়াতাড়ি দেশে এসে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ততই ভালো। এটিও দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সেখানে বাহির থেকে প্রশ্ন করার তেমন কিছু নেই।’

‘তৃতীয়ত, এটি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। নাগরিক জায়গা থেকে যদি দেখি, ওনি বলেছেন দেশে আসার সিদ্ধান্ত তার নিজের হাতে নেই। এখানে প্রশ্ন উঠে, ওনার না আসা আমাদের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা। ওনি সম্ভাব্য প্রধামন্ত্রী, তাই না। তারেক রহমান এবং জামায়াত আমির এখন প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট, সে হিসেবে আমি তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিন্তা করবো। এখন ওনি যদি নিজের থেকে সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তাহলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা আমি প্রশ্ন তুলতে পারবো। এটি ভ্যালিড প্রশ্ন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ সদস্যের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু

তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে চায় জামায়াত: মির্জা গালিব

আপডেট সময় ০১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতা জামায়াত কাজে লাগাতে চায় জানিয়ে মির্জা গালিব বলেন, ‘দলটি এজন্য জনমত তৈরি করছে। রাজনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি বৈধ। কারণ, এগুলো সব রাজনৈতিক দল করে। কিন্তু দুই জায়গা থেকে এটি খুব প্রশংসাযোগ্য কাজ নয়। একটি সেন্সিবল জায়গা থেকে, আরেকটি বড় দুটি দলের গণতন্ত্রের সৌন্দয়ের জায়াগা থেকে।’ মঙ্গলবার দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন এটি প্রত্যাশা ছিল, অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও এখন পর্যন্ত দেশে ফেরেন নি তিনি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে জামায়াতে নেতাদের মন্তব্যের বিষয়ে উপস্থাপক জানতে চাইলে ড. মির্জা গালিব বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সবাই আশা করেছিলাম তারেক রহমান দেশে আসবেন। অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও তিনি এখন পর্যন্ত আসেননি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। জামায়াতের বিভিন্ন নেতৃবন্দের যে বক্তব্য সেগুলো জনমনের প্রশ্নের সঙ্গে রিলেটেড।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মানের জায়গায় রয়েছেন খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের তিনি আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান রয়েছে, ওনি আমাদের সম্পদ।’ তারেক রহমানের দেশে আসার সমালোচনা তিনভাগে আলোচনা করা যেতে পারে বলে জানান মির্জা গালিব। ‘প্রথমত, এটি ওনার ব্যক্তিগত বিষয়। ওনি কখন আসবেন, এটি নিয়ে অন্য কারও বক্তব্য দেয়া সমীচীন নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে এটিকে ব্যবহার করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি দলীয় বিষয়। ওনি যেহেতু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এজন্য যতো তাড়াতাড়ি দেশে এসে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ততই ভালো। এটিও দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সেখানে বাহির থেকে প্রশ্ন করার তেমন কিছু নেই।’

‘তৃতীয়ত, এটি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। নাগরিক জায়গা থেকে যদি দেখি, ওনি বলেছেন দেশে আসার সিদ্ধান্ত তার নিজের হাতে নেই। এখানে প্রশ্ন উঠে, ওনার না আসা আমাদের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা। ওনি সম্ভাব্য প্রধামন্ত্রী, তাই না। তারেক রহমান এবং জামায়াত আমির এখন প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট, সে হিসেবে আমি তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিন্তা করবো। এখন ওনি যদি নিজের থেকে সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তাহলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা আমি প্রশ্ন তুলতে পারবো। এটি ভ্যালিড প্রশ্ন।’