ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ আসিফের নিজ উপজেলাতেই ৪৫৩ কোটি, ২৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফেনী ‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’- সারের মজুত নিয়ে সংসদে কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি জামায়াত এমপির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক, এলাকায় উত্তেজনা

তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে চায় জামায়াত: মির্জা গালিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতা জামায়াত কাজে লাগাতে চায় জানিয়ে মির্জা গালিব বলেন, ‘দলটি এজন্য জনমত তৈরি করছে। রাজনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি বৈধ। কারণ, এগুলো সব রাজনৈতিক দল করে। কিন্তু দুই জায়গা থেকে এটি খুব প্রশংসাযোগ্য কাজ নয়। একটি সেন্সিবল জায়গা থেকে, আরেকটি বড় দুটি দলের গণতন্ত্রের সৌন্দয়ের জায়াগা থেকে।’ মঙ্গলবার দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন এটি প্রত্যাশা ছিল, অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও এখন পর্যন্ত দেশে ফেরেন নি তিনি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে জামায়াতে নেতাদের মন্তব্যের বিষয়ে উপস্থাপক জানতে চাইলে ড. মির্জা গালিব বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সবাই আশা করেছিলাম তারেক রহমান দেশে আসবেন। অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও তিনি এখন পর্যন্ত আসেননি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। জামায়াতের বিভিন্ন নেতৃবন্দের যে বক্তব্য সেগুলো জনমনের প্রশ্নের সঙ্গে রিলেটেড।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মানের জায়গায় রয়েছেন খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের তিনি আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান রয়েছে, ওনি আমাদের সম্পদ।’ তারেক রহমানের দেশে আসার সমালোচনা তিনভাগে আলোচনা করা যেতে পারে বলে জানান মির্জা গালিব। ‘প্রথমত, এটি ওনার ব্যক্তিগত বিষয়। ওনি কখন আসবেন, এটি নিয়ে অন্য কারও বক্তব্য দেয়া সমীচীন নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে এটিকে ব্যবহার করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি দলীয় বিষয়। ওনি যেহেতু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এজন্য যতো তাড়াতাড়ি দেশে এসে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ততই ভালো। এটিও দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সেখানে বাহির থেকে প্রশ্ন করার তেমন কিছু নেই।’

‘তৃতীয়ত, এটি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। নাগরিক জায়গা থেকে যদি দেখি, ওনি বলেছেন দেশে আসার সিদ্ধান্ত তার নিজের হাতে নেই। এখানে প্রশ্ন উঠে, ওনার না আসা আমাদের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা। ওনি সম্ভাব্য প্রধামন্ত্রী, তাই না। তারেক রহমান এবং জামায়াত আমির এখন প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট, সে হিসেবে আমি তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিন্তা করবো। এখন ওনি যদি নিজের থেকে সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তাহলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা আমি প্রশ্ন তুলতে পারবো। এটি ভ্যালিড প্রশ্ন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান

তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে চায় জামায়াত: মির্জা গালিব

আপডেট সময় ০১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বের দুর্বলতা জামায়াত কাজে লাগাতে চায় জানিয়ে মির্জা গালিব বলেন, ‘দলটি এজন্য জনমত তৈরি করছে। রাজনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি বৈধ। কারণ, এগুলো সব রাজনৈতিক দল করে। কিন্তু দুই জায়গা থেকে এটি খুব প্রশংসাযোগ্য কাজ নয়। একটি সেন্সিবল জায়গা থেকে, আরেকটি বড় দুটি দলের গণতন্ত্রের সৌন্দয়ের জায়াগা থেকে।’ মঙ্গলবার দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন এটি প্রত্যাশা ছিল, অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও এখন পর্যন্ত দেশে ফেরেন নি তিনি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে জামায়াতে নেতাদের মন্তব্যের বিষয়ে উপস্থাপক জানতে চাইলে ড. মির্জা গালিব বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সবাই আশা করেছিলাম তারেক রহমান দেশে আসবেন। অথচ এরকম একটি সংকটময় মুহূর্তেও তিনি এখন পর্যন্ত আসেননি। এ নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। জামায়াতের বিভিন্ন নেতৃবন্দের যে বক্তব্য সেগুলো জনমনের প্রশ্নের সঙ্গে রিলেটেড।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মানের জায়গায় রয়েছেন খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের তিনি আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থান রয়েছে, ওনি আমাদের সম্পদ।’ তারেক রহমানের দেশে আসার সমালোচনা তিনভাগে আলোচনা করা যেতে পারে বলে জানান মির্জা গালিব। ‘প্রথমত, এটি ওনার ব্যক্তিগত বিষয়। ওনি কখন আসবেন, এটি নিয়ে অন্য কারও বক্তব্য দেয়া সমীচীন নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে এটিকে ব্যবহার করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি দলীয় বিষয়। ওনি যেহেতু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এজন্য যতো তাড়াতাড়ি দেশে এসে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ততই ভালো। এটিও দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সেখানে বাহির থেকে প্রশ্ন করার তেমন কিছু নেই।’

‘তৃতীয়ত, এটি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। নাগরিক জায়গা থেকে যদি দেখি, ওনি বলেছেন দেশে আসার সিদ্ধান্ত তার নিজের হাতে নেই। এখানে প্রশ্ন উঠে, ওনার না আসা আমাদের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা। ওনি সম্ভাব্য প্রধামন্ত্রী, তাই না। তারেক রহমান এবং জামায়াত আমির এখন প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট, সে হিসেবে আমি তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিন্তা করবো। এখন ওনি যদি নিজের থেকে সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তাহলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ইস্যু জড়িত কিনা আমি প্রশ্ন তুলতে পারবো। এটি ভ্যালিড প্রশ্ন।’