বিশ্বের এক সময়ের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন এখন জন্মহার হ্রাসের মারাত্মক সংকটে। ক্রমবর্ধমান এ জনসংখ্যা সংকট থেকে উত্তরণে চীনা কর্তৃপক্ষ নতুন প্রণোদনা ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক দ্য স্ট্রেইট টাইমস–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সন্তান জন্ম দিলে প্রতিটি চীনা দম্পতিকে নগদ ৩,৬০০ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৮,৫০০ টাকা) প্রতি বছর প্রদান করা হবে। সন্তান তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি বছর এই অর্থ দেবে সরকার।
চীনের এই উদ্যোগকে ‘সন্তান লালন-পালন ভাতা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মূল লক্ষ্য—নিম্ন জন্মহার রোধ, তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ কর্মশক্তিকে পুনরুদ্ধার করা।
জন্মহার হ্রাস: একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চীনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি হলেও ভারত ইতোমধ্যেই চীনকে ছাড়িয়ে গেছে জনসংখ্যায়। চীনের জন্মহার কমতে শুরু করে ২০১০ সালের পর থেকে, যা আরও প্রকট হয় গত তিন বছরে।
এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে গত শতকের ‘এক সন্তান নীতি’। ১৯৮০-এর দশকে চালু হওয়া এই নীতির কারণে কয়েক দশক ধরে চীনের পরিবারগুলো সীমিত ছিল একটি সন্তানের মধ্যেই।
যদিও ২০১৬ সালে সরকার ‘এক সন্তান নীতি’ তুলে দিয়ে ‘দুই সন্তান নীতি’ চালু করে এবং ২০২১ সালে তা তিন সন্তান পর্যন্ত উন্নীত করে, কিন্তু তাতেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















