ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আবারও বন্ধ ইন্টারনেট, দিল্লিতে কী ঘটছে? নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঢাকতে তেল সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে জামায়াত: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির অর্ডার করেছিলেন আইফোন, পার্সেলে মিলল তেল যে রোগে মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে যান সাহাবুদ্দিন স্পিকারের বাসভবনে জারি হলো ভিভিআইপি নিরাপত্তা ৫টা এক মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, আমি দায়িত্ব নিয়েছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার ছুরিকাঘাতে আহত পুলিশ কর্মকর্তা, শরীরে ৪৩ সেলাই যুক্তরাজ্যে মা-মেয়েসহ ৩ ব্রিটিশ-বাংলাদেশির প্রাণ গেল সাগরে

ভেবেছিলাম তার হায়াত কতটুকু: মাহমুদউল্লাহর কঠিন সময়ের কথা জানালেন স্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মৃত্যুকে যেন খুব কাছে থেকে দেখেছিলেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মাহমুদউল্লাহর স্ত্রী জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি। এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, মাহমুদউল্লাহ সেসময় তার কাছে ‘ক্ষমা’ চেয়ে নিয়েছিলেন।

আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালের কার্ডিওথোরাসিস হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটের (সিএইচডিইউ) দরজার একটি ছবি পোস্ট করেন মিষ্টি। তিনি সেই দিনটিকে (২৭ অক্টোবর, ২০২৫) তার জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন আর ভয়ংকর সময়’ বলে অভিহিত করেন। মিষ্টি লেখেন, ‘এই দরজার ভেতরে ঢোকার আগে সে (মাহমুদউল্লাহ) যখন আমাকে বললো, আমি যেন তাকে ক্ষমা করে দিই, সেটা শুনেও আমি এমন ভান করলাম যেন কিছুই হয়নি। হবেও না ইনশা আল্লাহ।’

সেই কঠিন মুহূর্তে নিজেকে শক্ত রাখার কথা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘সেসময় নিজেকে খুব শক্ত করে সামলেছি। এখন সেটা ভেবে নিজের কাছেই খুব অবাক লাগছে, সেই আমি কীভাবে এত শক্ত ছিলাম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ছিলাম যে আমার আল্লাহ আমাকে সবরের পরীক্ষা করছিলেন।’

তবে বাইরে শক্ত থাকলেও ভেতরে ভেতরে চরম আশঙ্কায় ভুগছিলেন তিনি। মিষ্টি লেখেন, ‘কিন্তু যতক্ষণ তার পাশে ছিলাম মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম তার হায়াত কতটুকু সেটাতো একমাত্র আল্লাহই জানেন। সর্বক্ষণ দোয়া আর জিকিরে কীভাবে যেন সেই কঠিন সময়টুকু পার হয়ে গেল। আলহামদুলিল্লাহ।’ বর্তমানে মাহমুদউল্লাহ শঙ্কামুক্ত হলেও সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো তাড়া করছে তার স্ত্রীকে। তিনি লেখেন, ‘মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যা কখনো ভোলা যায় না। সেই কঠিন সময়টুকু এখনো বারবার মনে পড়ছে। হয়তো এই ট্রমা কাটতেও সময় লাগবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও বন্ধ ইন্টারনেট, দিল্লিতে কী ঘটছে?

ভেবেছিলাম তার হায়াত কতটুকু: মাহমুদউল্লাহর কঠিন সময়ের কথা জানালেন স্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মৃত্যুকে যেন খুব কাছে থেকে দেখেছিলেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মাহমুদউল্লাহর স্ত্রী জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি। এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, মাহমুদউল্লাহ সেসময় তার কাছে ‘ক্ষমা’ চেয়ে নিয়েছিলেন।

আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালের কার্ডিওথোরাসিস হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটের (সিএইচডিইউ) দরজার একটি ছবি পোস্ট করেন মিষ্টি। তিনি সেই দিনটিকে (২৭ অক্টোবর, ২০২৫) তার জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন আর ভয়ংকর সময়’ বলে অভিহিত করেন। মিষ্টি লেখেন, ‘এই দরজার ভেতরে ঢোকার আগে সে (মাহমুদউল্লাহ) যখন আমাকে বললো, আমি যেন তাকে ক্ষমা করে দিই, সেটা শুনেও আমি এমন ভান করলাম যেন কিছুই হয়নি। হবেও না ইনশা আল্লাহ।’

সেই কঠিন মুহূর্তে নিজেকে শক্ত রাখার কথা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘সেসময় নিজেকে খুব শক্ত করে সামলেছি। এখন সেটা ভেবে নিজের কাছেই খুব অবাক লাগছে, সেই আমি কীভাবে এত শক্ত ছিলাম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ছিলাম যে আমার আল্লাহ আমাকে সবরের পরীক্ষা করছিলেন।’

তবে বাইরে শক্ত থাকলেও ভেতরে ভেতরে চরম আশঙ্কায় ভুগছিলেন তিনি। মিষ্টি লেখেন, ‘কিন্তু যতক্ষণ তার পাশে ছিলাম মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম তার হায়াত কতটুকু সেটাতো একমাত্র আল্লাহই জানেন। সর্বক্ষণ দোয়া আর জিকিরে কীভাবে যেন সেই কঠিন সময়টুকু পার হয়ে গেল। আলহামদুলিল্লাহ।’ বর্তমানে মাহমুদউল্লাহ শঙ্কামুক্ত হলেও সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো তাড়া করছে তার স্ত্রীকে। তিনি লেখেন, ‘মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যা কখনো ভোলা যায় না। সেই কঠিন সময়টুকু এখনো বারবার মনে পড়ছে। হয়তো এই ট্রমা কাটতেও সময় লাগবে।’