ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সব তাস যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই, ইরান কথা বলতে চাইলে শুধু ‘ফোন’ করলেই হবে: ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার নতুন করে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-যুক্তরাজ্য, কলকাঠি নাড়ছে ওয়াশিংটন বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

আমি এমপি নির্বাচিত হলে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

এবার এমপি হলে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী।

সম্প্রতি দেবিদ্বারে একটি বৈঠকে এ মন্তব্য করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমার আব্বা একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন, পরে দুবাই, ওমানে ২২ বছর বিদেশে ছিলেন। মাসে যে টাকা আব্বা পাঠাতেন তাতে চলাফেরা করা যেত। আমি যে পেশায় আছি, তা আপনারা মোবাইলে সার্চ করলেই দেখতে পারবেন। আমার প্রত্যেক মাসে দেড় লাখ টাকার মতো আয়, বছরে সাড়ে ১২ লাখ টাকা আয়।

জুলাই বিপ্লবের আগে মাসে আয় আরও বেশি ছিল, বিপ্লবের পরে তা কমে গেছে। অন্যদের আরও বাড়ে, আমার কমেছে। সবমিলিয়ে আমার সম্পদ আছে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো। যা আছে তাতে আমি চলতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আপনাদের কাছে একটা অঙ্গীকার করে যাচ্ছি, আমি যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, কোনোদিন ঠিকাদারি করব না। এমপি হওয়ার পরে কেউ একটা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়। আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। এবার আপনারা অন্যদের হলফনামা দেখবেন, কার ব্যাংক লোন আছে। যাদের কাছে ব্যাংক ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে টাকা পায়, যারা ব্যাংকের কাছেই ঋণী, তারা কিভাবে জনগণের সেবা করবে? তারা তো ব্যাংকের দেওয়া অঙ্গীকার রাখতে পারে না, জনগণেরটা কিভাবে রাখবে? এই বিষয়গুলো আপনারা আমলে নেবেন। সুতরাং অর্থনৈতিক শোষণ কেবল তখনই মুক্ত হবে, যখন নেতাই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে থাকবে।

আমার যেহেতু ভাত-কাপড় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা নেই। আমি বিশ্বাস করি আমার নেতাকর্মীরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করবে না। তাই আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। আমার নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করে ও গুমতি নদীতে মাটি কাটে, সে জায়গায় আমি অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারব না।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সব তাস যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই, ইরান কথা বলতে চাইলে শুধু ‘ফোন’ করলেই হবে: ট্রাম্প

আমি এমপি নির্বাচিত হলে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার এমপি হলে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী।

সম্প্রতি দেবিদ্বারে একটি বৈঠকে এ মন্তব্য করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমার আব্বা একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন, পরে দুবাই, ওমানে ২২ বছর বিদেশে ছিলেন। মাসে যে টাকা আব্বা পাঠাতেন তাতে চলাফেরা করা যেত। আমি যে পেশায় আছি, তা আপনারা মোবাইলে সার্চ করলেই দেখতে পারবেন। আমার প্রত্যেক মাসে দেড় লাখ টাকার মতো আয়, বছরে সাড়ে ১২ লাখ টাকা আয়।

জুলাই বিপ্লবের আগে মাসে আয় আরও বেশি ছিল, বিপ্লবের পরে তা কমে গেছে। অন্যদের আরও বাড়ে, আমার কমেছে। সবমিলিয়ে আমার সম্পদ আছে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো। যা আছে তাতে আমি চলতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আপনাদের কাছে একটা অঙ্গীকার করে যাচ্ছি, আমি যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, কোনোদিন ঠিকাদারি করব না। এমপি হওয়ার পরে কেউ একটা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়। আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। এবার আপনারা অন্যদের হলফনামা দেখবেন, কার ব্যাংক লোন আছে। যাদের কাছে ব্যাংক ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে টাকা পায়, যারা ব্যাংকের কাছেই ঋণী, তারা কিভাবে জনগণের সেবা করবে? তারা তো ব্যাংকের দেওয়া অঙ্গীকার রাখতে পারে না, জনগণেরটা কিভাবে রাখবে? এই বিষয়গুলো আপনারা আমলে নেবেন। সুতরাং অর্থনৈতিক শোষণ কেবল তখনই মুক্ত হবে, যখন নেতাই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে থাকবে।

আমার যেহেতু ভাত-কাপড় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা নেই। আমি বিশ্বাস করি আমার নেতাকর্মীরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করবে না। তাই আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। আমার নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করে ও গুমতি নদীতে মাটি কাটে, সে জায়গায় আমি অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারব না।’