ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির ক্যাম্পাসে কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডাম লাগে না: রাকসু জিএসকে ছাত্রদল সভাপতি আমিরাতে শাবানের চাঁদ দেখা গেছে, রমজানের অপেক্ষায় মুসলিম বিশ্ব গণভোট নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত পলাতক শক্তি: আদিলুর রহমান বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার দিলো রাশিয়া কেন্দ্রের আশপাশেও স্বতন্ত্র ও জামায়াতকে ঢুকতে দেব না: বিএনপি নেতার হুঁশিয়ারি দেশের অর্থনীতি আর ভঙ্গুর অবস্থায় নেই, রিজার্ভ এখন ৩২ বিলিয়ন: অর্থ উপদেষ্টা কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না, ভোট হবে নিরপেক্ষ: সেনাপ্রধান আসিফ মাহমুদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে: ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ৪২ হাজার টাকা!

আমি এমপি নির্বাচিত হলে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

এবার এমপি হলে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী।

সম্প্রতি দেবিদ্বারে একটি বৈঠকে এ মন্তব্য করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমার আব্বা একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন, পরে দুবাই, ওমানে ২২ বছর বিদেশে ছিলেন। মাসে যে টাকা আব্বা পাঠাতেন তাতে চলাফেরা করা যেত। আমি যে পেশায় আছি, তা আপনারা মোবাইলে সার্চ করলেই দেখতে পারবেন। আমার প্রত্যেক মাসে দেড় লাখ টাকার মতো আয়, বছরে সাড়ে ১২ লাখ টাকা আয়।

জুলাই বিপ্লবের আগে মাসে আয় আরও বেশি ছিল, বিপ্লবের পরে তা কমে গেছে। অন্যদের আরও বাড়ে, আমার কমেছে। সবমিলিয়ে আমার সম্পদ আছে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো। যা আছে তাতে আমি চলতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আপনাদের কাছে একটা অঙ্গীকার করে যাচ্ছি, আমি যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, কোনোদিন ঠিকাদারি করব না। এমপি হওয়ার পরে কেউ একটা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়। আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। এবার আপনারা অন্যদের হলফনামা দেখবেন, কার ব্যাংক লোন আছে। যাদের কাছে ব্যাংক ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে টাকা পায়, যারা ব্যাংকের কাছেই ঋণী, তারা কিভাবে জনগণের সেবা করবে? তারা তো ব্যাংকের দেওয়া অঙ্গীকার রাখতে পারে না, জনগণেরটা কিভাবে রাখবে? এই বিষয়গুলো আপনারা আমলে নেবেন। সুতরাং অর্থনৈতিক শোষণ কেবল তখনই মুক্ত হবে, যখন নেতাই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে থাকবে।

আমার যেহেতু ভাত-কাপড় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা নেই। আমি বিশ্বাস করি আমার নেতাকর্মীরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করবে না। তাই আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। আমার নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করে ও গুমতি নদীতে মাটি কাটে, সে জায়গায় আমি অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারব না।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির

আমি এমপি নির্বাচিত হলে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার এমপি হলে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী।

সম্প্রতি দেবিদ্বারে একটি বৈঠকে এ মন্তব্য করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমার আব্বা একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন, পরে দুবাই, ওমানে ২২ বছর বিদেশে ছিলেন। মাসে যে টাকা আব্বা পাঠাতেন তাতে চলাফেরা করা যেত। আমি যে পেশায় আছি, তা আপনারা মোবাইলে সার্চ করলেই দেখতে পারবেন। আমার প্রত্যেক মাসে দেড় লাখ টাকার মতো আয়, বছরে সাড়ে ১২ লাখ টাকা আয়।

জুলাই বিপ্লবের আগে মাসে আয় আরও বেশি ছিল, বিপ্লবের পরে তা কমে গেছে। অন্যদের আরও বাড়ে, আমার কমেছে। সবমিলিয়ে আমার সম্পদ আছে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো। যা আছে তাতে আমি চলতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আপনাদের কাছে একটা অঙ্গীকার করে যাচ্ছি, আমি যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, কোনোদিন ঠিকাদারি করব না। এমপি হওয়ার পরে কেউ একটা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়। আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। এবার আপনারা অন্যদের হলফনামা দেখবেন, কার ব্যাংক লোন আছে। যাদের কাছে ব্যাংক ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে টাকা পায়, যারা ব্যাংকের কাছেই ঋণী, তারা কিভাবে জনগণের সেবা করবে? তারা তো ব্যাংকের দেওয়া অঙ্গীকার রাখতে পারে না, জনগণেরটা কিভাবে রাখবে? এই বিষয়গুলো আপনারা আমলে নেবেন। সুতরাং অর্থনৈতিক শোষণ কেবল তখনই মুক্ত হবে, যখন নেতাই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে থাকবে।

আমার যেহেতু ভাত-কাপড় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা নেই। আমি বিশ্বাস করি আমার নেতাকর্মীরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করবে না। তাই আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। আমার নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি করে ও গুমতি নদীতে মাটি কাটে, সে জায়গায় আমি অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারব না।’