ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিরীন শারমিনের জামিন ভালো সিদ্ধান্ত: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বরত অবস্থায় নিজের মাথায় গুলি করে জীবন দিলেন পুলিশ সদস্য এমন কোনো লোভ ছিল না, যেটা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার আমার স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে: রাশেদ প্রধান সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপিকে আসন ছাড়ছে জামায়াত, মনোনয়ন পাচ্ছেন মাহমুদা-মনিরা ইরানের কাছে পরাজয়ের মাধ্যমে মার্কিন আধিপত্যের পতন শুরু: রুশ সিনেটর যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে বিগত দুটি সরকার ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামের ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে বাসিন্দারা আর একটাও বোমা নয়, ‘এনাফ ইজ এনাফ’: ইসরায়েলকে ট্রাম্প

সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন এমপি সাইফুল আলম খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা১২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুল আলম খান মিলন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি ডানপন্থী দল যেন দেশের রাজনীতিতে মেইনস্ট্রিমে আসতে না পারে, সে চেষ্টা তারা করেছেন এবং তাদেরকে মেইনস্ট্রিম হতে দেননি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা১২ আসনের সংসদ সদস্য মিলন বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক, অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সরাসরি অবজ্ঞার শামিল। কোন রাজনৈতিক দল মেইনস্ট্রিমে থাকবে আর কোন দল থাকবে নাএ সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি, উপদেষ্টা বা প্রশাসনিক গোষ্ঠীর নয়; এটি একমাত্র দেশের জনগণই তাদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন।

তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরনের বক্তব্য শুধু অনভিপ্রেতই নয়, বরং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকেই আরও জোরালোভাবে সত্য প্রতিপন্ন করে। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নিরপেক্ষতার দাবিকেও চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।বাংলাদেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের ভেতরে থাকা কিছু পক্ষপাতদুষ্ট উপদেষ্টা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার আমলাদের যোগসাজশে জনগণের রায়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাইবাংলাদেশের জনগণ রাজনৈতিক সচেতন। তারা জানেন কাকে সমর্থন করতে হবে এবং কাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আগামীদিনে দেশের জনগণ শুধু ভোটই দেবেন না, বরং তাদের ভোট পাহারা দিয়ে সত্য, ন্যায় ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় নিশ্চিত করবেনইনশাআল্লাহ। গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা এ ধরনের অগণতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও সংযত ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্মত বক্তব্য প্রত্যাশা করেন জামায়াত নেতা সাইফুল আলম খান মিলন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিরীন শারমিনের জামিন ভালো সিদ্ধান্ত: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন এমপি সাইফুল আলম খান

আপডেট সময় ০৩:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

এবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা১২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুল আলম খান মিলন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি ডানপন্থী দল যেন দেশের রাজনীতিতে মেইনস্ট্রিমে আসতে না পারে, সে চেষ্টা তারা করেছেন এবং তাদেরকে মেইনস্ট্রিম হতে দেননি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা১২ আসনের সংসদ সদস্য মিলন বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক, অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সরাসরি অবজ্ঞার শামিল। কোন রাজনৈতিক দল মেইনস্ট্রিমে থাকবে আর কোন দল থাকবে নাএ সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি, উপদেষ্টা বা প্রশাসনিক গোষ্ঠীর নয়; এটি একমাত্র দেশের জনগণই তাদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন।

তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরনের বক্তব্য শুধু অনভিপ্রেতই নয়, বরং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকেই আরও জোরালোভাবে সত্য প্রতিপন্ন করে। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নিরপেক্ষতার দাবিকেও চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।বাংলাদেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের ভেতরে থাকা কিছু পক্ষপাতদুষ্ট উপদেষ্টা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার আমলাদের যোগসাজশে জনগণের রায়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাইবাংলাদেশের জনগণ রাজনৈতিক সচেতন। তারা জানেন কাকে সমর্থন করতে হবে এবং কাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আগামীদিনে দেশের জনগণ শুধু ভোটই দেবেন না, বরং তাদের ভোট পাহারা দিয়ে সত্য, ন্যায় ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় নিশ্চিত করবেনইনশাআল্লাহ। গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা এ ধরনের অগণতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও সংযত ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্মত বক্তব্য প্রত্যাশা করেন জামায়াত নেতা সাইফুল আলম খান মিলন।