ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার খেলছেন না নেইমার আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল

এক বছরে আমাদের বড় প্রাপ্তি মব কালচার: মাসুদ কামাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ‘মব সংস্কৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, “এক বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মব কালচার। আমরা এটা আগে পাইনি, এভাবে দেখিনি। এক বছরে মব কালচারকে আমরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন এটা একটা ‘বৈধ কাজ’।”

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত মবের ঘটনা তুলে ধরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মবের ঘটনায় কোনো শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মবের কোনো শাস্তি হচ্ছে না, মব ভায়োলেন্সের কোনো শাস্তি দেখাতে পারবেন না, এগুলো সব বৈধ। এ মব কালচারের একটা বিপজ্জনক দিক আছে, এটা ভয়ঙ্কর।’

তিনি বলেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, তখন চার-পাঁচজন ছেলে তাকে স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদের দোসর বলে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু করল, কেউ তাকে ফেরাতেও যাবে না। যে ফেরাতে যাবে সেও চিন্তা করবে আমি তো উল্টো মারধরের শিকার হতে পারি। পুলিশ পাশ দিয়ে হাঁটবে, কিন্তু তাকে ফেরানোর চেষ্টাও করবে না। কারণ, ফেরাতে গেলে তাকে ক্লোজ করা হবে।’

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে লাঞ্ছিত ও তার গলায় জুতার মালা পরানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নুরুল হুদা সাহেরের মবের যে ভিডিও আমরা দেখলাম, সেখানে দেখা গেল, পুলিশের এক সদস্য নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

মবকে থামানোর চেষ্টাও করেন নাই। কিন্তু তার যে ট্রেনিং ছিল, সেটা কি তাকে থামাতে বলে নাই? বলেছে, তারপর সে করে নাই কেন? করবে না–– কারণ সে ভাববে আমার জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। এখন এসব যারা উৎসাহ দিচ্ছে, আলটিমেটলি তাদের কপালে কী আছে জানি না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার খেলছেন না নেইমার

এক বছরে আমাদের বড় প্রাপ্তি মব কালচার: মাসুদ কামাল

আপডেট সময় ১২:০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এবার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ‘মব সংস্কৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, “এক বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মব কালচার। আমরা এটা আগে পাইনি, এভাবে দেখিনি। এক বছরে মব কালচারকে আমরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন এটা একটা ‘বৈধ কাজ’।”

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত মবের ঘটনা তুলে ধরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মবের ঘটনায় কোনো শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মবের কোনো শাস্তি হচ্ছে না, মব ভায়োলেন্সের কোনো শাস্তি দেখাতে পারবেন না, এগুলো সব বৈধ। এ মব কালচারের একটা বিপজ্জনক দিক আছে, এটা ভয়ঙ্কর।’

তিনি বলেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, তখন চার-পাঁচজন ছেলে তাকে স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদের দোসর বলে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু করল, কেউ তাকে ফেরাতেও যাবে না। যে ফেরাতে যাবে সেও চিন্তা করবে আমি তো উল্টো মারধরের শিকার হতে পারি। পুলিশ পাশ দিয়ে হাঁটবে, কিন্তু তাকে ফেরানোর চেষ্টাও করবে না। কারণ, ফেরাতে গেলে তাকে ক্লোজ করা হবে।’

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে লাঞ্ছিত ও তার গলায় জুতার মালা পরানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নুরুল হুদা সাহেরের মবের যে ভিডিও আমরা দেখলাম, সেখানে দেখা গেল, পুলিশের এক সদস্য নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

মবকে থামানোর চেষ্টাও করেন নাই। কিন্তু তার যে ট্রেনিং ছিল, সেটা কি তাকে থামাতে বলে নাই? বলেছে, তারপর সে করে নাই কেন? করবে না–– কারণ সে ভাববে আমার জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। এখন এসব যারা উৎসাহ দিচ্ছে, আলটিমেটলি তাদের কপালে কী আছে জানি না।