ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা পারেদেসের লাল কার্ড ‘বাতিল করল’ ফিফা ফিফায় ইনফান্তিনোর সময় শেষ হয়ে গেছে: স্প্যানিশ লা লিগা সভাপতি নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ রাহুলকে কোথায় নেওয়া হয়েছে জানাচ্ছে না দিল্লি পুলিশ: কংগ্রেস রক্তে ইনফেকশন, প্লাটিলেট ৩৪ হাজার—গুরুতর অসুস্থ নয়ন দোয়া চাইলেন ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন এমপি নজরুলের ড্রাইভার বাবা-ভাইসহ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষক ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

এক বছরে আমাদের বড় প্রাপ্তি মব কালচার: মাসুদ কামাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

এবার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ‘মব সংস্কৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, “এক বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মব কালচার। আমরা এটা আগে পাইনি, এভাবে দেখিনি। এক বছরে মব কালচারকে আমরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন এটা একটা ‘বৈধ কাজ’।”

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত মবের ঘটনা তুলে ধরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মবের ঘটনায় কোনো শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মবের কোনো শাস্তি হচ্ছে না, মব ভায়োলেন্সের কোনো শাস্তি দেখাতে পারবেন না, এগুলো সব বৈধ। এ মব কালচারের একটা বিপজ্জনক দিক আছে, এটা ভয়ঙ্কর।’

তিনি বলেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, তখন চার-পাঁচজন ছেলে তাকে স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদের দোসর বলে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু করল, কেউ তাকে ফেরাতেও যাবে না। যে ফেরাতে যাবে সেও চিন্তা করবে আমি তো উল্টো মারধরের শিকার হতে পারি। পুলিশ পাশ দিয়ে হাঁটবে, কিন্তু তাকে ফেরানোর চেষ্টাও করবে না। কারণ, ফেরাতে গেলে তাকে ক্লোজ করা হবে।’

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে লাঞ্ছিত ও তার গলায় জুতার মালা পরানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নুরুল হুদা সাহেরের মবের যে ভিডিও আমরা দেখলাম, সেখানে দেখা গেল, পুলিশের এক সদস্য নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

মবকে থামানোর চেষ্টাও করেন নাই। কিন্তু তার যে ট্রেনিং ছিল, সেটা কি তাকে থামাতে বলে নাই? বলেছে, তারপর সে করে নাই কেন? করবে না–– কারণ সে ভাববে আমার জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। এখন এসব যারা উৎসাহ দিচ্ছে, আলটিমেটলি তাদের কপালে কী আছে জানি না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

এক বছরে আমাদের বড় প্রাপ্তি মব কালচার: মাসুদ কামাল

আপডেট সময় ১২:০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এবার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ‘মব সংস্কৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, “এক বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মব কালচার। আমরা এটা আগে পাইনি, এভাবে দেখিনি। এক বছরে মব কালচারকে আমরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন এটা একটা ‘বৈধ কাজ’।”

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত মবের ঘটনা তুলে ধরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মবের ঘটনায় কোনো শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মবের কোনো শাস্তি হচ্ছে না, মব ভায়োলেন্সের কোনো শাস্তি দেখাতে পারবেন না, এগুলো সব বৈধ। এ মব কালচারের একটা বিপজ্জনক দিক আছে, এটা ভয়ঙ্কর।’

তিনি বলেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, তখন চার-পাঁচজন ছেলে তাকে স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদের দোসর বলে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু করল, কেউ তাকে ফেরাতেও যাবে না। যে ফেরাতে যাবে সেও চিন্তা করবে আমি তো উল্টো মারধরের শিকার হতে পারি। পুলিশ পাশ দিয়ে হাঁটবে, কিন্তু তাকে ফেরানোর চেষ্টাও করবে না। কারণ, ফেরাতে গেলে তাকে ক্লোজ করা হবে।’

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে লাঞ্ছিত ও তার গলায় জুতার মালা পরানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নুরুল হুদা সাহেরের মবের যে ভিডিও আমরা দেখলাম, সেখানে দেখা গেল, পুলিশের এক সদস্য নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

মবকে থামানোর চেষ্টাও করেন নাই। কিন্তু তার যে ট্রেনিং ছিল, সেটা কি তাকে থামাতে বলে নাই? বলেছে, তারপর সে করে নাই কেন? করবে না–– কারণ সে ভাববে আমার জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। এখন এসব যারা উৎসাহ দিচ্ছে, আলটিমেটলি তাদের কপালে কী আছে জানি না।