ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সমঝোতা শেষে হলে উঠলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’ স্লোগানে উত্তাল ঢাবি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা, রাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টা পরেই দিল্লিতে দীনেশ ত্রিবেদী ছেলে বিসিএস কর্মকর্তা, বাবা এবার এসএসসি পাশ করলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ স্কুলে কেউই পাশ করেনি, হতাশ না হয়ে চেষ্টার পরামর্শ মির্জা ফখরুলকন্যার সন্ধানের ৩ দিন পর যেভাবে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন নিস্ক্রিয় করলো সেনাবাহিনী ‘ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতায় শিক্ষক নিয়োগ’-অবস্থান স্পষ্ট করলেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী যাবেন তাই এক পাশে রং, অন্য পাশে মলিন বাংলাদেশে কেয়ামত পর্যন্ত ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না, চ্যালেঞ্জ দিলাম: ফয়জুল করীম

সন্ধানের ৩ দিন পর যেভাবে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন নিস্ক্রিয় করলো সেনাবাহিনী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে পরিত্যক্ত জমির মাটির নিচে সন্ধান পাওয়া পরিত্যক্ত ৯৬টি ল্যান্ড মাইন সেনাবাহিনী তিনদিন পর উদ্ধার করে নিস্ক্রিয় করেছে। যশোর সেনানিবাস থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী (বোম্ব ডিসপোজাল) ইউনিট সোমবার (১০ আগস্ট) ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই উদ্ধার অভিযান চালায়। উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন রয়েছে। সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দলের নেতৃত্ব দেন মেজর তারিকুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে বেতবাড়িয়া গ্রামের কালু মালিথার একটি পরিত্যক্ত জমিতে মাটির নিচে ল্যান্ড মাইন সদৃশ বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। মাইন সদৃশ বস্তু উদ্ধারের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ওইদিনই চিঠি দেওয়া হয়।

 

 

এর তিন দিন পর সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন উদ্ধার করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী মধুগাড়ি গ্রামের মাঠে নিয়ে গিয়ে উদ্ধার হওয়া ল্যান্ড মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বিবেচনায় ২ কি.মি. দূরে মানুষজনদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় কোন গণমাধ্যমকর্মীকেও বিস্ফোরণ স্থানের দিকে যেতে দেওয়া হয়নি। তবে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনেছে স্থানীয়রা। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

 

এদিকে মাইন উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে স্থানীয় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। গত শনিবার থেকেই ঘটনাস্থলটি নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে রাখা হয়। আইএসপিআর এর অনুমতি ছাড়া সেনাবাহিনীর এই সম্পর্কে কোন বক্তব্য দিতে রাজী না হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সমঝোতা শেষে হলে উঠলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা

সন্ধানের ৩ দিন পর যেভাবে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন নিস্ক্রিয় করলো সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে পরিত্যক্ত জমির মাটির নিচে সন্ধান পাওয়া পরিত্যক্ত ৯৬টি ল্যান্ড মাইন সেনাবাহিনী তিনদিন পর উদ্ধার করে নিস্ক্রিয় করেছে। যশোর সেনানিবাস থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী (বোম্ব ডিসপোজাল) ইউনিট সোমবার (১০ আগস্ট) ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই উদ্ধার অভিযান চালায়। উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন রয়েছে। সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দলের নেতৃত্ব দেন মেজর তারিকুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে বেতবাড়িয়া গ্রামের কালু মালিথার একটি পরিত্যক্ত জমিতে মাটির নিচে ল্যান্ড মাইন সদৃশ বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। মাইন সদৃশ বস্তু উদ্ধারের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ওইদিনই চিঠি দেওয়া হয়।

 

 

এর তিন দিন পর সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন উদ্ধার করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী মধুগাড়ি গ্রামের মাঠে নিয়ে গিয়ে উদ্ধার হওয়া ল্যান্ড মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বিবেচনায় ২ কি.মি. দূরে মানুষজনদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় কোন গণমাধ্যমকর্মীকেও বিস্ফোরণ স্থানের দিকে যেতে দেওয়া হয়নি। তবে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনেছে স্থানীয়রা। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

 

এদিকে মাইন উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে স্থানীয় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। গত শনিবার থেকেই ঘটনাস্থলটি নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে রাখা হয়। আইএসপিআর এর অনুমতি ছাড়া সেনাবাহিনীর এই সম্পর্কে কোন বক্তব্য দিতে রাজী না হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।