ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড, জমে উঠেছে সেমিফাইনাল আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আবার বিয়ে করার ঘোষণা পরীমনির শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেমিফাইনালের আগে যে কারণে বিদায়ী বার্তা দিলেন মেসি ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে ১৮ দিন ধরে অনশনে সোনম ওয়াংচুক ইরানে ৯০ মিনিটের ‘বিশেষ অভিযান’, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে নামার আগে আর্জেন্টিনাকে হ্যারি কেনের কড়া বার্তা শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ নেই, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে: নাহিদ আইনের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজায় ৪ কোটির বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে: ইরান

হলফনামায় ছিল ৩১ শতাংশ জমি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার তিন মাসেই সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে মীর শাহে আলমের নিজের নামে ছিল মাত্র ৩১ দশমিক ১৩ শতাংশ জমি। তার স্ত্রীর নামে ছিল ২৬ শতাংশ জমি এবং নির্ভরশীল দুই ছেলে-মেয়ের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ছিল না।

তবে যমুনা টিভির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তার ও পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় আট গুণ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে এলাকায় তার যাতায়াতের জন্য হেলিপ্যাড নির্মাণ এবং ব্যক্তিগত অফিস তৈরির উদ্যোগ নিয়েও নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের তথ্যের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে পাওয়া বিভিন্ন তথ্যের উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতি রয়েছে। সম্পদ বৃদ্ধির উৎস ও বৈধতা নিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মহলেও প্রশ্ন উঠেছে। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পদের এ ধরনের বৃদ্ধি কীভাবে সম্ভব হলো, তা নিয়ে অনুসন্ধানের দাবি জোরালো হয়েছে।

তবে যমুনা টিভির অনুসন্ধানে উত্থাপিত অভিযোগ ও তথ্য অস্বীকার করেছেন মীর শাহে আলম। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “উন্নয়নের পথে যত বাধাই আসুক না কেন, আমি তা অতিক্রম করব। বগুড়ার ৭ এমপি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এলাকার উন্নয়নে যা করার তাই চেয়ে নিব”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই বা তদন্তের ফলাফলও এখনো প্রকাশিত হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড, জমে উঠেছে সেমিফাইনাল

হলফনামায় ছিল ৩১ শতাংশ জমি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার তিন মাসেই সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে মীর শাহে আলমের নিজের নামে ছিল মাত্র ৩১ দশমিক ১৩ শতাংশ জমি। তার স্ত্রীর নামে ছিল ২৬ শতাংশ জমি এবং নির্ভরশীল দুই ছেলে-মেয়ের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ছিল না।

তবে যমুনা টিভির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তার ও পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় আট গুণ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে এলাকায় তার যাতায়াতের জন্য হেলিপ্যাড নির্মাণ এবং ব্যক্তিগত অফিস তৈরির উদ্যোগ নিয়েও নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের তথ্যের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে পাওয়া বিভিন্ন তথ্যের উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতি রয়েছে। সম্পদ বৃদ্ধির উৎস ও বৈধতা নিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মহলেও প্রশ্ন উঠেছে। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পদের এ ধরনের বৃদ্ধি কীভাবে সম্ভব হলো, তা নিয়ে অনুসন্ধানের দাবি জোরালো হয়েছে।

তবে যমুনা টিভির অনুসন্ধানে উত্থাপিত অভিযোগ ও তথ্য অস্বীকার করেছেন মীর শাহে আলম। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “উন্নয়নের পথে যত বাধাই আসুক না কেন, আমি তা অতিক্রম করব। বগুড়ার ৭ এমপি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এলাকার উন্নয়নে যা করার তাই চেয়ে নিব”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই বা তদন্তের ফলাফলও এখনো প্রকাশিত হয়নি।