ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফার চুক্তিতে যা আছে মেসি একা কাঁদেননি,  হ্যাটট্রিকে কাঁদলেন কোচ স্কালোনিও বেআইনিভাবে বাংলাদেশে ৫ হাজার মুসলমানকে পুশব‍্যাক করেছে শুভেন্দু: এইচআরডব্লিউ গোলরক্ষক ভোজিনহার মাকে বিশ্বকাপে আনতে উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির আগেই ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার! ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ: প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরাইল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র এই গ্রামে বিএনপির নামগন্ধ রাখবো না: চিরকুট লিখে হুমকি ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি: মোদিকে মেলোনি

ভোলায় যুবদল-শ্রমিক দলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয় গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেন।
আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও যুবদলনেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫), রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমীনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে স্লুইসগেটে সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারের তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে আমি ১মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে নিয়ে যায়।
পরে ৫আগষ্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একনেতা নেতৃত্বে গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা আ’লীগ ক্যাডার সবুজর নিকট থেকে আমি আমার লুট করা মালামালের হিসাব বুঝে নিতে পারিনি। গতকাল ৬ জানুয়ারী সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে।
যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ করে মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তারা রুবেলকে মারপিট করলে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করলে সংঘর্ষ বাজে। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফার চুক্তিতে যা আছে

ভোলায় যুবদল-শ্রমিক দলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ১০:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয় গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেন।
আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও যুবদলনেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫), রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমীনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে স্লুইসগেটে সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারের তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে আমি ১মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে নিয়ে যায়।
পরে ৫আগষ্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একনেতা নেতৃত্বে গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা আ’লীগ ক্যাডার সবুজর নিকট থেকে আমি আমার লুট করা মালামালের হিসাব বুঝে নিতে পারিনি। গতকাল ৬ জানুয়ারী সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে।
যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ করে মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তারা রুবেলকে মারপিট করলে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করলে সংঘর্ষ বাজে। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।