ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

মুস্তাফিজকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে যা বলছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬৭৭ বার পড়া হয়েছে

এবার নিলামে কাড়াকাড়ি করে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে ভিড়িয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কোনো ম্যাচ না খেলিয়েই তাকে ছেড়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নিজের কোনো দোষ বা ইনজুরি না থাকলেও এই বিপুল অঙ্কের টাকার ‘কানাকড়িও’ ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাচ্ছেন না বাংলাদেশি পেসার। এর নেপথ্যে রয়েছে আইপিএলের বিমা পলিসি।

এদিকে মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিলের পর প্রশ্ন উঠেছে, পেশাদার লিগে চুক্তি করেও কেন টাকা পাবেন না তিনি? সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বর্তমান আইপিএল বিমা কাঠামোর আওতায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। পিটিআইকে আইপিএল সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আইপিএলের সব খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত থাকে। তবে বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর বা টুর্নামেন্ট চলাকালে চোট পেলে বিমা থেকে বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া যায়।

কিন্তু মুস্তাফিজের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটছে না। কারণ, তার চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এবং রাজনৈতিক কারণে। এটি কোনো ‘ইনজুরি’ বা ‘ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্স’ সংক্রান্ত বিষয় নয়। ফলে বিমা কোম্পানি বা কেকেআর, কারও পক্ষ থেকেই অর্থ পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

এদিকে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা বেশ জটিল। সূত্রটি বলছে, ‘এই পরিস্থিতি বিমার আওতায় পড়ে না, তাই কেকেআরের এক টাকাও দেওয়ার আইনি দায় নেই। মুস্তাফিজ চাইলে আইনি লড়াইয়ে যেতে পারেন, কিন্তু আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীন। তাছাড়া ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কোনো বিদেশি ক্রিকেটার সাধারণত কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

মুস্তাফিজকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে যা বলছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় ০৩:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নিলামে কাড়াকাড়ি করে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে ভিড়িয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কোনো ম্যাচ না খেলিয়েই তাকে ছেড়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নিজের কোনো দোষ বা ইনজুরি না থাকলেও এই বিপুল অঙ্কের টাকার ‘কানাকড়িও’ ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাচ্ছেন না বাংলাদেশি পেসার। এর নেপথ্যে রয়েছে আইপিএলের বিমা পলিসি।

এদিকে মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিলের পর প্রশ্ন উঠেছে, পেশাদার লিগে চুক্তি করেও কেন টাকা পাবেন না তিনি? সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বর্তমান আইপিএল বিমা কাঠামোর আওতায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। পিটিআইকে আইপিএল সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আইপিএলের সব খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত থাকে। তবে বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর বা টুর্নামেন্ট চলাকালে চোট পেলে বিমা থেকে বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া যায়।

কিন্তু মুস্তাফিজের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটছে না। কারণ, তার চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এবং রাজনৈতিক কারণে। এটি কোনো ‘ইনজুরি’ বা ‘ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্স’ সংক্রান্ত বিষয় নয়। ফলে বিমা কোম্পানি বা কেকেআর, কারও পক্ষ থেকেই অর্থ পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

এদিকে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা বেশ জটিল। সূত্রটি বলছে, ‘এই পরিস্থিতি বিমার আওতায় পড়ে না, তাই কেকেআরের এক টাকাও দেওয়ার আইনি দায় নেই। মুস্তাফিজ চাইলে আইনি লড়াইয়ে যেতে পারেন, কিন্তু আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীন। তাছাড়া ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কোনো বিদেশি ক্রিকেটার সাধারণত কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।’