দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। আর প্রথম দিনেই দেখা গেছে ব্যাপক জনস্রোত। নির্ধারিত ৯০০টি টিকিট অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক দর্শনার্থী টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর জাদুঘর প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পরিবার, বন্ধু কিংবা সহযোদ্ধাদের নিয়ে অনেকে এসেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস জানতে, আবার কেউ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। টিকিট না পাওয়া অনেকেই জানিয়েছেন, পরদিন আবার এসে জাদুঘর ঘুরে দেখবেন।
দর্শনার্থীদের একটি অংশের দাবি, উদ্বোধনের দিনও অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্য সাধারণ মানুষের প্রবেশের সুযোগ রাখা উচিত ছিল। একই সঙ্গে ৫০ টাকা প্রবেশমূল্য পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা, যাতে শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সহজেই জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারেন।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ জন দর্শনার্থীকে তিনটি পৃথক স্লটে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। টিকিট কাউন্টার ও অনলাইন—উভয় মাধ্যমেই সংগ্রহ করা যাচ্ছে। ভিড় এড়াতে আগাম অনলাইনে টিকিট কাটারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এই জাদুঘর। উদ্বোধনের দিন এটি শুধুমাত্র শহীদ পরিবারের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















