ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী আটক হয়ে মুচলেকায় মুক্তি, ফের মহাসড়কে বাস থামিয়ে চাঁদাবাজি নোয়াখালীতে চলন্ত অটোরিকশায় সন্তান প্রসব, নবজাতককে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা ‘ফেসবুকে মন্তব্যের জেরে’ বাসায় গিয়ে ছাত্রদল নেতাকে পেটাল ছাত্রলীগ নেতা হামজার সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তি বার্সেলোনার চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে না পাকিস্তান: পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল কর্মীকে অপহরণ ও পিটিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে ‘কাউকে আসতে হবে না, আমি নিজেই খাবার পৌঁছে দেব’: এমপি হানজালা

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোও নিরাপদ থাকবে না: ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য মার্কিন পদক্ষেপের মূল্য বাড়িয়ে তুলতে এবং ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই বার্তা দিয়েছে ইরান।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি দেওয়ার পর থেকেই তৎপর হয়ে ওঠে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরব, কাতার, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেন।

সূত্রগুলোর দাবি, আরাগচি উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওয়াশিংটনকে নতুন সামরিক অভিযান থেকে বিরত রাখতে আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

এদিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে সামরিক পদক্ষেপের বদলে আলোচনা ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ইরানের এক কর্মকর্তা বলেছেন, নতুন করে হামলা হলে শুধু তেল স্থাপনা নয়, শোধনাগার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানির অবকাঠামো, পরিবহন নেটওয়ার্ক এবং তেলক্ষেত্রও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

অন্যদিকে কাতার, ওমান ও সৌদি আরবও ওয়াশিংটনকে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন সংঘাত শুরু হলে শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। বর্তমানে তাই সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনৈতিক সমাধানকেই সবচেয়ে কার্যকর পথ হিসেবে দেখছে আঞ্চলিক দেশগুলো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোও নিরাপদ থাকবে না: ইরান

আপডেট সময় ০৪:১৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য মার্কিন পদক্ষেপের মূল্য বাড়িয়ে তুলতে এবং ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই বার্তা দিয়েছে ইরান।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি দেওয়ার পর থেকেই তৎপর হয়ে ওঠে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরব, কাতার, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেন।

সূত্রগুলোর দাবি, আরাগচি উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওয়াশিংটনকে নতুন সামরিক অভিযান থেকে বিরত রাখতে আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

এদিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে সামরিক পদক্ষেপের বদলে আলোচনা ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ইরানের এক কর্মকর্তা বলেছেন, নতুন করে হামলা হলে শুধু তেল স্থাপনা নয়, শোধনাগার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানির অবকাঠামো, পরিবহন নেটওয়ার্ক এবং তেলক্ষেত্রও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

অন্যদিকে কাতার, ওমান ও সৌদি আরবও ওয়াশিংটনকে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন সংঘাত শুরু হলে শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। বর্তমানে তাই সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনৈতিক সমাধানকেই সবচেয়ে কার্যকর পথ হিসেবে দেখছে আঞ্চলিক দেশগুলো।