ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে: ফজলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

এবার কিশোরগঞ্জ (ইটনামিঠামইনঅষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সিনিয়র আইনজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, এই দেশে আবারও একটি মুক্তিযুদ্ধ হবে। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘পৃথিবীর রাজনীতিতে পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান এই মুসলিম দেশগুলো চায় না বাংলাদেশ নামে কোনো দেশ থাকুক। এরা হাজার হাজার কোটি ডলাররিয়ালপাউন্ড জামায়াতে ইসলামীকে, স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে, জঙ্গিদেরকে দেয়। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। মির্জা আব্বাসকে গালি দেয়। যারা জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে, ইউনূসের সাথে বসে মিটিং করে। এই সব লোকজন এদের বাড়ি কই, এদের বাপের নাম কী? জন্মের পরিচয় কী এদের? কেউ বাড়ি থেকে দাঁড়ায় না, কারণ বাড়িতে গেলে মানুষ কান ধরে টান দিবো। ঢাকার নেতা হয়ে ঢাকায় দাঁড়িয়ে গেছে, এইটা তো বাড়ির মানুষ জানে না। এই সব গরু চোরের দল, জুতা চোরের দলেরা এখন বাংলাদেশের নেতা।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজাকার ও আলবদরদের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা বাংলাদেশকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিতে চায়।তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াতের কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নারীর মর্যাদা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিপন্থী। বাংলাদেশকে জ্ঞানবিজ্ঞান ও আধুনিক চিন্তার রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘তারা বোরকা পরে গিয়ে একটা চকলেট দেয় বাচ্চাদেরকে আর বউরারে একটা কানপাশা দেয়। আসার সময় বলে ভোটটা দিয়েন, বেহেশতের টিকেটটা কালকে দিয়ে যাবনে। বেহেশতের টিকেট যে দিতে পারে, সে শিরক গুনাহ করে। কারণ, বেহেশত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহর সাথে যে তুলনা করে, সেই শিরক গুনাহর কোনো মাফ নাই। এখন আবার বলে, না টিকেট দেওয়া যাবে না, এইটা একটু শর্ট পড়ে গেছে, এখন সবাইকে হজে নিতে চায়। একবার হজে গেলে ৬ লাখ টাকা লাগে। এই সব ধরনের মিথ্যা প্রলোভনে পড়ে রাজাকারের বাচ্চাদের ভোট দিবেন না।মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই শক্তিগুলো ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে, ২ লাখ নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। আমরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি।

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই সব রাজাকারআলবদর জঙ্গির দল নির্বাচনে পারবে না। আল্লাহর রহমত হিসেবে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে। আল্লাহর রহমতে তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামের মানুষ আপনারা যদি দয়া করে আপনাদের অধম সন্তান ফজলুর রহমানকে ভোট দেন, তাহলে ফজলুর রহমান হবে এমপি। ২৪০টার ওপরে সিট পাবে বিএনপি। কিন্তু চক্রান্ত বড় কঠিন এবং গভীরে। সেই চক্রান্ত যেই করুক, কেউ যদি ভোট লুট করতে আসে, আপনারা ছেড়ে দিবেন না।ফজলুর রহমান বলেন, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা বড় চক্রান্ত করছে। তাদের মোকাবিলায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে: ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ০১:৩০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার কিশোরগঞ্জ (ইটনামিঠামইনঅষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সিনিয়র আইনজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, এই দেশে আবারও একটি মুক্তিযুদ্ধ হবে। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘পৃথিবীর রাজনীতিতে পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান এই মুসলিম দেশগুলো চায় না বাংলাদেশ নামে কোনো দেশ থাকুক। এরা হাজার হাজার কোটি ডলাররিয়ালপাউন্ড জামায়াতে ইসলামীকে, স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে, জঙ্গিদেরকে দেয়। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। মির্জা আব্বাসকে গালি দেয়। যারা জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে, ইউনূসের সাথে বসে মিটিং করে। এই সব লোকজন এদের বাড়ি কই, এদের বাপের নাম কী? জন্মের পরিচয় কী এদের? কেউ বাড়ি থেকে দাঁড়ায় না, কারণ বাড়িতে গেলে মানুষ কান ধরে টান দিবো। ঢাকার নেতা হয়ে ঢাকায় দাঁড়িয়ে গেছে, এইটা তো বাড়ির মানুষ জানে না। এই সব গরু চোরের দল, জুতা চোরের দলেরা এখন বাংলাদেশের নেতা।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজাকার ও আলবদরদের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা বাংলাদেশকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিতে চায়।তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াতের কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নারীর মর্যাদা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিপন্থী। বাংলাদেশকে জ্ঞানবিজ্ঞান ও আধুনিক চিন্তার রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘তারা বোরকা পরে গিয়ে একটা চকলেট দেয় বাচ্চাদেরকে আর বউরারে একটা কানপাশা দেয়। আসার সময় বলে ভোটটা দিয়েন, বেহেশতের টিকেটটা কালকে দিয়ে যাবনে। বেহেশতের টিকেট যে দিতে পারে, সে শিরক গুনাহ করে। কারণ, বেহেশত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহর সাথে যে তুলনা করে, সেই শিরক গুনাহর কোনো মাফ নাই। এখন আবার বলে, না টিকেট দেওয়া যাবে না, এইটা একটু শর্ট পড়ে গেছে, এখন সবাইকে হজে নিতে চায়। একবার হজে গেলে ৬ লাখ টাকা লাগে। এই সব ধরনের মিথ্যা প্রলোভনে পড়ে রাজাকারের বাচ্চাদের ভোট দিবেন না।মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই শক্তিগুলো ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে, ২ লাখ নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। আমরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি।

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই সব রাজাকারআলবদর জঙ্গির দল নির্বাচনে পারবে না। আল্লাহর রহমত হিসেবে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে। আল্লাহর রহমতে তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামের মানুষ আপনারা যদি দয়া করে আপনাদের অধম সন্তান ফজলুর রহমানকে ভোট দেন, তাহলে ফজলুর রহমান হবে এমপি। ২৪০টার ওপরে সিট পাবে বিএনপি। কিন্তু চক্রান্ত বড় কঠিন এবং গভীরে। সেই চক্রান্ত যেই করুক, কেউ যদি ভোট লুট করতে আসে, আপনারা ছেড়ে দিবেন না।ফজলুর রহমান বলেন, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা বড় চক্রান্ত করছে। তাদের মোকাবিলায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।