ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচদের হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেঈমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেননি: রাশেদ খাঁন ইরানের অনুরোধেই যুদ্ধ বন্ধ, সমঝোতা না হলে আবারও হামলা: ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ২৯ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত কুকুর উদ্ধার আমি কাকে কী বিক্রি করব, সেটা কেউ ঠিক করে দেয় না: তুরস্ককে যুদ্ধবিমান বিক্রিতে নেতানিয়াহুর আপত্তি নিয়ে ট্রাম্প মধ্যরাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মোদি সরকারের বৈঠক পরিত্যক্ত বাড়িতে জবাই করা হতো ঘোড়া, মাংস যেত রাজধানীর রেস্তোরাঁয় ২০২৪ সালের আজকের দিনে ৬ সমন্বয়ককে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ায় ডিবি ‘পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না’

খেলা শুরুর আগেই বিজয়ী বেছে নিল হাতি-জিরাফ-গরিলারা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

খেলা এখনো শুরু হয়নি। মাঠে বলও গড়ায়নি। কিন্তু এরই মধ্যে সম্ভাব্য বিজয়ী বেছে নিয়ে আলোচনায় এসেছে হাতি, জিরাফ ও গরিলারা! বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রাণীদের এমন ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ নতুন নয়, তবে প্রতিবারই এটি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

বিশ্বকাপ বা বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সামনে এলেই বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকেন্দ্রে বিশেষ আয়োজন দেখা যায়। সেখানে প্রাণীদের সামনে বিভিন্ন দলের পতাকা, প্রতীক বা খাবারের পাত্র রাখা হয়। প্রাণীটি যেটি প্রথম বেছে নেয়, সেটিকেই প্রতীকীভাবে তার ‘পছন্দ’ বা ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ হিসেবে ধরা হয়।

সম্প্রতি এমন কয়েকটি আয়োজনকে ঘিরে আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। হাতি, জিরাফ ও গরিলার দল বেছে নেওয়ার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। যদিও এসব নির্বাচনের সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই, তবুও এটি বিশ্বকাপ উন্মাদনার একটি মজার অংশ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে থাকে।

ফুটবল ইতিহাসে প্রাণীর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম ছিল জার্মানির অক্টোপাস ‘পল’। ২০১০ বিশ্বকাপে তার কয়েকটি সঠিক পূর্বাভাস বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নানা প্রাণীকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন নিয়মিত দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কার্যক্রম মূলত বিনোদন ও দর্শকদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে প্রাণী সংরক্ষণ, চিড়িয়াখানার কার্যক্রম এবং বিশ্বকাপের উৎসবমুখর পরিবেশ—সবকিছুর প্রতি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব হয়।

তাই খেলার প্রকৃত ফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে মাঠের লড়াইয়ের জন্য। তবে তার আগে হাতি, জিরাফ আর গরিলাদের ‘পছন্দের দল’ নিয়ে আলোচনা যে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তা বলাই যায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন

খেলা শুরুর আগেই বিজয়ী বেছে নিল হাতি-জিরাফ-গরিলারা

আপডেট সময় ১০:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

খেলা এখনো শুরু হয়নি। মাঠে বলও গড়ায়নি। কিন্তু এরই মধ্যে সম্ভাব্য বিজয়ী বেছে নিয়ে আলোচনায় এসেছে হাতি, জিরাফ ও গরিলারা! বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রাণীদের এমন ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ নতুন নয়, তবে প্রতিবারই এটি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

বিশ্বকাপ বা বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সামনে এলেই বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকেন্দ্রে বিশেষ আয়োজন দেখা যায়। সেখানে প্রাণীদের সামনে বিভিন্ন দলের পতাকা, প্রতীক বা খাবারের পাত্র রাখা হয়। প্রাণীটি যেটি প্রথম বেছে নেয়, সেটিকেই প্রতীকীভাবে তার ‘পছন্দ’ বা ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ হিসেবে ধরা হয়।

সম্প্রতি এমন কয়েকটি আয়োজনকে ঘিরে আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। হাতি, জিরাফ ও গরিলার দল বেছে নেওয়ার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। যদিও এসব নির্বাচনের সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই, তবুও এটি বিশ্বকাপ উন্মাদনার একটি মজার অংশ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে থাকে।

ফুটবল ইতিহাসে প্রাণীর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম ছিল জার্মানির অক্টোপাস ‘পল’। ২০১০ বিশ্বকাপে তার কয়েকটি সঠিক পূর্বাভাস বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নানা প্রাণীকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন নিয়মিত দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কার্যক্রম মূলত বিনোদন ও দর্শকদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে প্রাণী সংরক্ষণ, চিড়িয়াখানার কার্যক্রম এবং বিশ্বকাপের উৎসবমুখর পরিবেশ—সবকিছুর প্রতি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব হয়।

তাই খেলার প্রকৃত ফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে মাঠের লড়াইয়ের জন্য। তবে তার আগে হাতি, জিরাফ আর গরিলাদের ‘পছন্দের দল’ নিয়ে আলোচনা যে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তা বলাই যায়।