ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিহত চার সৌদি প্রবাসীর পকেটেই ছিল বাড়ি ফেরার টিকিট রেহানা মরিয়ম নূর আমাদের বোন: ডাকসু ভিপি তিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগকে ‘সাধারণ ক্ষমা’ করে জামায়াত: রাশেদ খাঁন বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা পাটওয়ারী-সিফাত গংদের বক্তব্য ক্রিমিনাল অফেন্স: এ্যানি মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: সংসদে ডেপুটি স্পিকার শেখ হাসিনা আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ দুর্গার ১১ হাতের ছবি দিয়ে সরকারি বিজ্ঞাপন, ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত

তিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় তিন ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে আবুল বাশার (৩৩) নামে মাদরাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তার আবুল বাশার কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার দুধসর এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। অভিযোগকারী তিন শিক্ষার্থী ওই মাদরাসার আবাসিক ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। সোমবার এক শিক্ষার্থীর দাদা মাদরাসায় গেলে ওই শিক্ষার্থী তার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে দাদা বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যার পর মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবুল বাশারকে আটক করে। পরে রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা কোনো অভিভাবকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না। আমি এর বিচার চাই।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক বলাৎকার করেন। এক শিক্ষার্থী তার দাদার কাছে বিষয়টি জানালে পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। তিনি আরও বলেন, আবুল বাশারের কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক হারবাল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ (বলাৎকার) মামলা করেছেন। আবুল বাশারকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিহত চার সৌদি প্রবাসীর পকেটেই ছিল বাড়ি ফেরার টিকিট

তিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ

আপডেট সময় ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় তিন ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে আবুল বাশার (৩৩) নামে মাদরাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তার আবুল বাশার কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার দুধসর এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। অভিযোগকারী তিন শিক্ষার্থী ওই মাদরাসার আবাসিক ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। সোমবার এক শিক্ষার্থীর দাদা মাদরাসায় গেলে ওই শিক্ষার্থী তার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে দাদা বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যার পর মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবুল বাশারকে আটক করে। পরে রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা কোনো অভিভাবকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না। আমি এর বিচার চাই।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক বলাৎকার করেন। এক শিক্ষার্থী তার দাদার কাছে বিষয়টি জানালে পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। তিনি আরও বলেন, আবুল বাশারের কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক হারবাল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ (বলাৎকার) মামলা করেছেন। আবুল বাশারকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।