ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক এমপি আনার হত্যার পরিকল্পনাকারী শিমুলের জামিন আওয়ামী লীগের পর বিএনপির দখলে, শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদে গুঁড়িয়ে গেল অবৈধ স্থাপনা ৫ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হাফিজুর আবারও কারাগারে ভাইরাল সেই ‘সুন্দরী’ নারী আসামি, সামনে এলো আসল পরিচয় ঋণের কিস্তি পরিশোধের দুশ্চিন্তা, গলায় ফাঁস দিয়ে প্রাণ দিলেন প্রবাসীর স্ত্রী রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ব্রাজিলের জালে ৭ বা তার বেশি গোল দিতে পেরেছে যারা পুলিশে যোগদানের ২০ বছর পর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে এসআইয়ের মৃত্যু ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাচ্ছিলো তিন বোন, জানতো না বাবার হাতেই অপেক্ষা করছে মৃত্যু!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাচ্ছিলো তিন বোন, জানতো না বাবার হাতেই অপেক্ষা করছে মৃত্যু!

ঘরের মেঝেতে রক্তে ভেসে আছে ৩ বোনের নিথর দেহ। খাটের উপরে মামার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। আর ঘরের জানালার গ্রীলে গৃহবধুর মূখ ও হাত বাঁধা লাশ। প্রতিবেশীদের ফোনের বার্তায় এমন নৃশংস হত্যার খবর জানলো পুলিশ। ততক্ষণে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে চাঞ্চল্য, বিরাজ করছে আতঙ্ক।

 

শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকায় প্রবাসী মনিরের বাড়িতে ঘটেছে নৃশংস এ ঘটনা। নিহতরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার ফোরকান সরকারের স্ত্রী শারমিন আক্তার, তিন মেয়ে মিম, মারিয়া ও ফারিয়া এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল হোসেন। ১ বছর আগে গোপালগঞ্জ থেকে এসে ওই বাসায় ভাড়ায় ছিলেন ফোরকান ও পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা

 

 

নিহতের স্বজনরা জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে শুক্রবার বিকালের শ্যালক রসূলকে ফোন দিয়ে ফোরকান জানায় তার জন্য একটি চাকরি ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কথা শুনে সন্ধ্যায় তার বাসায় আসে রসূল। ফোরকান বিভিন্ন সময়ে নেশা করতো। সরকারী সংবাদ

 

 

এলাকাবাসী জানায়, ফোরকান স্থানীয় একটি ব্যাটারি কারখানার গাড়ি চালক। এক বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছে। এই মর্মান্তি ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

 

গাজীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিকটিম রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

এই নির্মম ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে তদন্ত চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। গাজীপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন বলছেন ঘটনাস্থলে মাদকের আলামত পাওয়া গেছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

সপরিবারে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় স্তব্ধ এলাকাবাসী। নৃশংসতম এই হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হোক এটাই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি আনার হত্যার পরিকল্পনাকারী শিমুলের জামিন

কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাচ্ছিলো তিন বোন, জানতো না বাবার হাতেই অপেক্ষা করছে মৃত্যু!

আপডেট সময় ০৯:১৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাচ্ছিলো তিন বোন, জানতো না বাবার হাতেই অপেক্ষা করছে মৃত্যু!

ঘরের মেঝেতে রক্তে ভেসে আছে ৩ বোনের নিথর দেহ। খাটের উপরে মামার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। আর ঘরের জানালার গ্রীলে গৃহবধুর মূখ ও হাত বাঁধা লাশ। প্রতিবেশীদের ফোনের বার্তায় এমন নৃশংস হত্যার খবর জানলো পুলিশ। ততক্ষণে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে চাঞ্চল্য, বিরাজ করছে আতঙ্ক।

 

শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকায় প্রবাসী মনিরের বাড়িতে ঘটেছে নৃশংস এ ঘটনা। নিহতরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার ফোরকান সরকারের স্ত্রী শারমিন আক্তার, তিন মেয়ে মিম, মারিয়া ও ফারিয়া এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল হোসেন। ১ বছর আগে গোপালগঞ্জ থেকে এসে ওই বাসায় ভাড়ায় ছিলেন ফোরকান ও পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা

 

 

নিহতের স্বজনরা জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে শুক্রবার বিকালের শ্যালক রসূলকে ফোন দিয়ে ফোরকান জানায় তার জন্য একটি চাকরি ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কথা শুনে সন্ধ্যায় তার বাসায় আসে রসূল। ফোরকান বিভিন্ন সময়ে নেশা করতো। সরকারী সংবাদ

 

 

এলাকাবাসী জানায়, ফোরকান স্থানীয় একটি ব্যাটারি কারখানার গাড়ি চালক। এক বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছে। এই মর্মান্তি ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

 

গাজীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিকটিম রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

এই নির্মম ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে তদন্ত চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। গাজীপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন বলছেন ঘটনাস্থলে মাদকের আলামত পাওয়া গেছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

সপরিবারে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় স্তব্ধ এলাকাবাসী। নৃশংসতম এই হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হোক এটাই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।