ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আর্জেন্টিনা জেতেনি’, মেসিদের বোর্ড থেকেই সাংবাদিকদের ই-মেইল দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রকারীদের উৎখাতে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে: ফয়জুল করীম বরিশালে থানাহাজতে সেদিন যা ঘটেছিল, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশে ধস, দুর্ঘটনার শঙ্কা জামালপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমপির গাড়ি সরকারি শিশু পরিবারে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গোল না খাওয়া স্পেনের সামনে বেলজিয়ামের গোলঝড় এবার অমুসলিম দেশেও ই’স’রা’ই’লি পণ্য আমদানি নি’ষি’দ্ধ

টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে লুট: বরখাস্ত ৩ কর্মকর্তা, অভিযুক্ত প্রধান শামীমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেই, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • ১৫১৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, যিনি আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের ছোট ভাই।

মঙ্গলবার রাতে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগেই সোমবার রাতে তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান গত ৫ আগস্ট টাঙ্গাইল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সহকারী উপ-পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। গত ৬ জুলাই ‘মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে অর্থ লুটের অভিযোগ, তদন্তে কমিটি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রশাসনে নড়াচড়া শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে অভিযানের মূলহোতা সহকারী উপ-পরিদর্শক শামীম আল আজাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া। অভিযোগ রয়েছে, তিনিই সরাসরি লুটপাটের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাকে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় সংযুক্ত করা হলেও তিনি সেখানে যোগদান করেননি। এই অনুপস্থিতির কারণে মঙ্গলবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক।

সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগম প্রশাসনের এ পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শামীমকে বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন। তিনি লুট হয়ে যাওয়া অর্থ ফেরতেরও দাবি জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আর্জেন্টিনা জেতেনি’, মেসিদের বোর্ড থেকেই সাংবাদিকদের ই-মেইল

টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে লুট: বরখাস্ত ৩ কর্মকর্তা, অভিযুক্ত প্রধান শামীমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেই, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় ১০:০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, যিনি আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের ছোট ভাই।

মঙ্গলবার রাতে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগেই সোমবার রাতে তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান গত ৫ আগস্ট টাঙ্গাইল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সহকারী উপ-পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। গত ৬ জুলাই ‘মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে অর্থ লুটের অভিযোগ, তদন্তে কমিটি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রশাসনে নড়াচড়া শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে অভিযানের মূলহোতা সহকারী উপ-পরিদর্শক শামীম আল আজাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া। অভিযোগ রয়েছে, তিনিই সরাসরি লুটপাটের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাকে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় সংযুক্ত করা হলেও তিনি সেখানে যোগদান করেননি। এই অনুপস্থিতির কারণে মঙ্গলবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক।

সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগম প্রশাসনের এ পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শামীমকে বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন। তিনি লুট হয়ে যাওয়া অর্থ ফেরতেরও দাবি জানান।