সড়ক দুর্ঘটনায় বাঁ পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়ে আহত হয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের কৃষক মোহাম্মদ মুক্তার গাজী। টানা এক বছর নানা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরেছেন। চিকিৎসা নিয়েছেন অনেক ডাক্তারের কাছে। টাকাও খরচ করেছেন প্রায় ৪ লাখ। তবুও পা নড়াচড়া করতে পারতেন না, ঠিকমতো উঠতে-বসতে পারতেন না। বসে পড়তে পারতেন না নামাজ।
একসময় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। ঠিক তখনই জানতে পারেন রাজধানীর মিরপুরের সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কথা।
একদিন ছুটে আসেন হাসপাতালে। মাত্র ১০ টাকার টিকিট কেটে গ্রহণ করেন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিজামা বা কাপিং থেরাপি। আর তাতেই ঘটে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন! চিকিৎসায় ফিরতে শুরু করে পায়ের স্বাভাবিকতা।
মোহাম্মদ মুক্তার গাজী বলেন, ‘আমি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পা নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। প্রায় ৪ লাখ টাকার মতো খরচ করেও পা নাড়াইতে পারতাম না। পরে খবর পেয়ে এ হাসপাতালে আসি। ১০ টাকার টিকিট কেটে হিজামা নেওয়ার পর আল্লাহর রহমতে এখন পা নড়াচড়া করতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ।’
হাসপাতালের ডাক্তার জুননুরাইন জনি বলেন, ‘গাজি মুক্তার হোসেন কিশোরগঞ্জের একজন কৃষক। তিনি দীর্ঘ এক বছর ধরে সড়ক দুর্ঘটনায় তার বাঁ পা নড়াচড়া করতে পারতেন না। আমরা তাকে হিজামা বা কাপিং থেরাপি দিয়েছি। এখন তিনি নিজেই বলছেন, আগের তুলনায় ভালো অনুভব করছেন। তিনি পা নড়াচড়া করতে পারছেন, বসতে পারছেন। আশা করি, এই থেরাপি নিয়মিত চলতে থাকলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন ইনশাআল্লাহ।’
জুননুরাইন জনি বলেন, ‘শুধু মুক্তার গাজী নন, বিভিন্ন জেলার মানুষ এখানে আসছেন চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।’

ডেস্ক রিপোর্ট 


















